অরিত্র ঘোষ, নানুর
বীরভূম জেলার নানুর, যা কিনা ভোট বা এমনি সময় সব সময় থাকতো খবরের শিরোনামে ।
এবার এই গ্রামকেই পাহারা দিতে ময়দানে নামলেন তৃণমূল নেতা এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী কাজল শেখ ।
এই গ্রামের রাস্তার দিকে গেলেই দেখা যাচ্ছে গ্রাম ঢোকার মূল রাস্তার সামনে করে দেওয়া হয়েছে বড় ব্যারিকেড এবং সেখানে বড় বড় করে লেখা আছে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ।
তৃণমূল নেতা কাজল শেখ বসে আছেন সেই ব্যারিকেডের সামনে। হ্যাঁ এই চিত্রটি দেখা যাচ্ছে নানুরের পাপুরী গ্রামে।
গ্রামের মানুষ কেউ কোথাও বাইরে যাচ্ছে কিনা এবং কি প্রয়োজনে যাচ্ছেন সমস্ত তথ্য নিচ্ছেন বিশিষ্ট সমাজসেবী এবং তৃণমূল নেতা কাজল শেখ। করোনা মুক্ত গ্রাম করার উদ্দেশ্যে গ্রামের মানুষদের ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করছেন তিনি।
যদিও বা কেউ কোনো কাজে বের হচ্ছেন তাহলে গ্রাম ঢোকার আগে তার হাত স্যানিটাইজার দিয়ে ধুয়ে দিচ্ছেন খোদ নেতাই।
এছাড়াও লকডাউন যেদিন থেকে কার্যকর হয়েছে সেদিন থেকেই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শুরু করেছেন কাজল শেখ। তার উদ্দেশ্য একটাই করোনা মুক্ত গ্রাম করবে এই পাপুড়ি কে।
তার এই উদ্যোগে সাড়া দিয়েছেন সকল গ্রামবাসীরাও। বিগত কয়েকদিন ধরে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার মানুষ জন তার তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাচ্ছিল , লক্ষ্য একটাই এই লকডাউন এর মধ্যে কেউ যেন অভুক্ত না থাকে।
কিন্তু একই জায়গাতে এতজন মানুষের ভিড় হবার ফলে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো যাচ্ছিল না। তার ফলে তিনি তার পার্টি অফিসের কিছুটা দূরত্বে একটি বড় মাঠে খুলে দিলেন অসহায় দুঃস্থ মানুষদের জন্য ফ্রি বাজার।
এখানে বিনামূল্যে মানুষজন চাল,ডাল থেকে আরম্ভ করে শাকসবজি পর্যন্ত পাবেন। তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা , সমাজসেবী কাজল শেখ জানান, এই মহামারীর দিনে ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষের দিনে আমি মানুষের পাশে থাকতে চাই । মানুষকে সবরকম সাহায্য করতে চাই কেউ যেন অভুক্ত না থাকে ।
এমনকি বহিরাগত মানুষজন যেন এই গ্রামে না ঢুকতে পারে সেজন্য আমি নিজেই গ্রাম পাহারার দায়িত্ব তুলে নিয়েছি সঙ্গে রয়েছে আমার আরো কর্মীরা।
লকডাউন এর প্রথম দিন থেকেই আমি মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দিতে আরম্ভ করেছিলাম । এখনো তা চলছে এবং যতদিন লকডাউন চলবে আমি আমার এই কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাব।

