মেদনিপুর_এগরা: সৌমেন সেন ,
লকডাউনেও এগরায় বেসরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা দানে ও এস জি হাসপাতাল
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিহত করতে বিশ্বজুড়ে দাওয়াই লকডাউন।সেই মত দেশজুড়ে টানা ২১দিন লকডাউন পেরিয়ে ৩৭ দিনের লক্ষ্যে ৩০মে পর্যন্ত এই দাওয়াই জারি।
মুখ্যমন্ত্রী বেসরকারি হাসপাতাল গুলিকে তাদের সাধ্যমত পরিষেবা দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন, প্রযোজনে সরকারি হাসপাতালে রেফার্ড করতেও বলেছেন।
এগরার এক বিয়ে বাড়ির ঘটনায় করোনা সংক্রমণ সামনে আসায় নড়ে চড়ে প্রশাসন। রাজ্যজুড়ে হট্সস্পটের তালিকায় যুক্ত এগরাও।
এ হেন এগরার বেসরকারি হাসপাতাল তথা নার্সিং হোমগুলির স্বাভাবিক কাজকর্ম তলানিতে।বেসরকারি হাসপাতালে আজ দেখা গেলনা কাউকেই। এক মাত্র ভরসা “এগরা ও এস জি হাসপাতাল”।
প্রতিদিনের মত আজও ৮-১০জনের ডায়লিসিস হয় মঙ্গলবার, বাংলা নববর্ষের দিনেও বিমুখ হয়নি কেউই ।বিভিন্ন রোগীর চিকিৎসা, প্যাথলজির কাজ, রেডিও লজিস্টের পরীক্ষা হয়, দুটি অপারেশন ও হয়েছে এদিন।
নার্সিং হোমের কর্ণধার ডা:বাদল অশ্রু ঘাটা নিজে থেকে পরিষেবা দিচ্ছেন রোগীদের। যদিও স্টাফ এদিন কম তা সত্বেও নিজেই তদারকি করছেন।
এ বিষয়ে ডা:ঘাটা বলেন ডাক্তারী পড়ার সময় শপথ নিয়েছিলাম যত সময় এই ড্রেস গায়ে থাকবে ততক্ষণ আমার নৈতিক দায়িত্ব মানুষ কে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া তাই এই সংকট কালে একদিনও বন্ধ করিনি।
ডায়ালাইসিস পেসেন্ট পার্টির মুখ গুলোর কথা ভেবে চরম অসুবিধার মধ্যে চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
কোন কোন বেসরকারি হাসপাতাল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ায় চাপ বাড়লেও যতক্ষন কীডস থাকবে মানুষের জীবনের কথা ভেবে পরিষেবা চালিয়ে যাব।
কিছু অসুবিধার কথা এস ডি ও অপ্রতীম ঘোষ ও এগরা থানার ও সি কাশিনাথ চৌধুরীকে জানিয়েছি,তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়েছেন।
হাসপাতাল ও নার্সিং হোম মানুষের পরিষেবা দেওয়ার জন্য ,তেমনি পরিষেবা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য সম্মত পরিমন্ডল দিতে হবে সোসাইটি ও রোগীর পরিবারকে। এই পারস্পারিক সমন্বয়ের অভাব হলে কাঙ্খিত পরিষেবা পাওয়ারও অসুবিধে হবে, সে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব সবার কেউই দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।


