অরিত্র ঘোষ, বোলপুর
দেশজুড়ে বেড়ে গিয়েছে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন এর সময়সীমা । বন্ধ দোকানপাট ,জনশূন্য রাস্তাঘাট, মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মে ইতি টেনেছে এই ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাস এবং লকডাউন।
ইতিমধ্যেই সরকারের তরফ থেকে এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা অসহায় দুঃস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ত্রাণ সামগ্রী থেকে আরম্ভ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এমনকি ওষুধপত্র।
এরকমই এক পরিস্থিতিতে দুঃস্থদের ত্রান সামগ্রী বিতরণের কাজ আরম্ভ করল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এমনকি তারা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৩৮ লক্ষ টাকা দান করেছে।
প্রসঙ্গত বিশ্বভারতীর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পার্শস্থ প্রায় ১০০টি গ্রাম রয়েছে । সেই গ্রামগুলোর দুস্থ বাসিন্দাদের বাছাই করে তাদের মধ্যে ত্রাণ বিলি করার কাজ শুরু হয়েছে ।
এই গ্রামগুলিতে সারাবছর শিক্ষার মানোন্নয়ন, কুসংস্কার দূরীকরণ, স্বাস্থ্যপরীক্ষা শিবির সহ একাধিক গঠনমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয় বিশ্বভারতীর তরফে । এবার এই গ্রামগুলির দুস্থদের মধ্যে ত্রাণ বিলি শুরু করল তারা।
বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, কর্মী, আধিকারিকরা সপ্তাহে দু'দিন করে ত্রাণ দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছেন ।চাল, ডাল, তেল, আলু, মশলা তুলে দেওয়া হয় ।
এছাড়াও কোরোনা মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিশ্বভারতীর তরফে ৩৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন, “এরকম এক পরিস্থিতিতে মানুষজনের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সপ্তাহে দু'দিন করে বিশ্বভারতীর তরফে খাদ্যসামগ্রী বণ্টন করা হচ্ছে বিভিন্ন গ্রামে । যতদিন পারব এই কাজ চালিয়ে যাব । "

