মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কর্মপন্থা এবং ভাবধারাকে হৃদয়ে পাথেয় করে মানব সেবায় কিছু করার তাগিদে হৃদয় বারে বারে কেঁপে ওঠে যে মানুষটি তার নাম বিভূতিভূষণ দে ।
সাঁকরাইল থানা অন্তর্গত নলপুর পঞ্চায়েতের দাসপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। বাবা ছিলেন মিলিটারির আর্মি শচীন কুমার দে আর্মির কাজে প্রথমে বর্ধমান সেখান থেকে জমিজমা বিক্রি করে কোলে মার্কেট সেখান থেকে এই দাসপুর গামে 1947 সালে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করলেন ।
পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিন ভাই একত্রে থাকেন সেজ আর ছোট বিবাহ করেননি। বড় রতন কুমার দের একটি ছেলে একটি মেয়ে, ছেলে ইঞ্জিনিয়ার। সেজ আর ছোট দুস্থ ও গরীব সেবায় নিজেদের আত্মনিয়োগ করেছেন। ছোট ভাইয়ের নাম সমীর কুমার দে ।
গরিব মানুষের জন্য কিছু করার সঠিক সময় পেয়ে গেলেন শিবপুর আইআইটিতে কর্মরত বিভূতিভূষণ বাবু। মমতা ব্যানার্জির ত্রান তহবিলে 1 লক্ষ টাকা চেক ওসি সুমন ঘোষের হাতে তুলে দিলেন করনা আক্রান্ত রোগীদের সেবার জন্য । তার এই মহান কর্মের সাক্ষী থাকতে পেরে মানিকপুর থানার তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুমন ঘোষ নিজেকে ধন্য মনে করলেন । সভায় উপস্থিত ছিলেন নুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিশ্বনাথ মাকাল।
তিনি বললেন বিভূতিভূষণ বাবুর জন্য আমরা গর্বিত উনার দানের টাকায় অনেক দুস্ত মানুষ উপকৃত হবেন আমরাও পঞ্চায়েতের মারফত বিভিন্ন দুস্থ এবং অসহায় মানুষদের চাল-ডাল খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছে এবং আগামী দিনে যদি লকডাউন বাড়ে কোন মানুষ যাতে না খেয়ে থাকতে পারে তার ব্যবস্থা আমরা করব মুর্শিদাবাদ থেকে যেসব মিস্ত্রি এখানে কাজ করছেন বা অনেকে কাজের জন্য এখানে আছেন খেতে পারছে না তাদেরকেও আমরা খাবারের ব্যবস্থা করেছি বিডিও সাহেবের কথা মত ।




