বাবাই সূত্রধর,দক্ষিণ দিনাজপুর,১৯ এপ্রিল;
দীর্ঘ ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে গঙ্গারামপুর এর বিধায়ক এর পিতার মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার সকালে দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের রামপাড়া চেচরার বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।
পরিবারে দুই ছেলে তাদের স্ত্রী চার মেয়ে, নাতি নাতনীকে রেখে গেলেন। বিধায়ক পিতার মৃত্যুতে দলে তরফেও প্রচুর মানুষ এমন মৃত্যুতে সমবেদনা জানান।
স্থানীয় মুক্তারামপুর শশান ঘাটে তার দেহ সৎকার করা হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে সেখানে অনেকে উপস্থিত হয়েছিলেন।
তপন ব্লকের রামপাড়া চেচড়ার বাসিন্দা মৃত গোপেন্দ্র নাথ দাস (মন্টু) কংগ্রেস নেতা হিসেবে পরিচিত। বহুদিন ধরে কংগ্রেস করা রাজনীতি জীবনে গ্রাম পঞ্চায়েত পঞ্চায়েত সমিতির স্তরে ভোটের লড়াই করে তিনি জয়লাভ করে এসেছিলেন।
তার রাজনৈতিক জীবনে কংগ্রেস দলের বহু খারাপ সময়েও তিনি ভোটে দাড়িয়ে হারেননি বলে কংগ্রেস দল সূত্রে জানা গিয়েছে।
এমনকি সাধারন ভাবে জীবন যাপন করা এলাকায় মন্টু বাবু নামে পরিচিত সকলের কাছে জনপ্রিয়তা ছিল ব্যাপক।
কৃষিজীবীর পরিবার থেকে উঠে আসা মন্টু দাসের রাজনীতি জীবনে তৎকালীন তার এলাকার বাম নেতারাও কোন কিছু করে জনপ্রিয়তা কামাতে পারেন নি বলে খবর।
বাবার জনপ্রিয়তাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেস রাজনীতি পরিবারের ছেলে গত বিধানসভা নির্বাচনে বাম কংগ্রেসের জোটের প্রার্থী হয়ে গোপেন্দ্রা নাথ দাস (মন্টু) বাবুর ছেলে গৌতম দাস তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কে হারিয়ে দিয়ে ভোটে জয়লাভ করেন।
বর্তমানে গঙ্গারামপুর এর বিধায়ক গৌতম দাস দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন মানুষের পাশে থেকে। বিধায়কের পরিবার সূত্রে খবর, তিনি বহুদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, দিল্লি এমনকি লখনৌতে তাকে পরিবারের তরফ সে বহুদিন ধরে চিকিৎসা করানো হয়েছিল।
রবিবার সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। পরিবারের স্ত্রী রেখা দাস, চার মেয়ে প্রতুল দাস, প্রতিমা দাস, অপর্না দাস, আলপনা দাস, বড় ছেলে উত্তম দাস ছোট ছেলে গৌতম দাস, তাদের স্ত্রী সোনালী দাস, রমা বিশ্বাস (দাস) , নাকি সৌরভ ও গৌরব পুতুল দাস সহ আরো অনেকে রেখে গেলেন।
বিধায়কের পৃতার মৃত্যুতে দলের তরফে বহু নেতারা ও প্রচুর মানুষ জন এমন মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে বিধায়কের বাড়িতে হাজির হন। স্থানীয় মুক্তারামপুর শ্মশান ঘাটে তার দেহ সৎকার করা হয়। প্রবীণ ও নেতার মৃত্যু পরিবারসহ এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

