সংবাদদাতা, নদীয়া:
ব্যতিক্রমী শিক্ষাবিদ ড. আবুল হোসেন বিশ্বাস। মানবিকতা দেখিয়ে খানিকটা অন্য রাস্তায় হাঁটার সাহস দেখিয়েছেন তিনি। ইংরেজি সাহিত্যের বিদগ্ধ পন্ডিত, মার্জিত, আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন ইতিমধ্যেই। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি এইচ ডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ইংরেজি ভাষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপর "দি সেকুলার ভিশন অফ কাজী নজরুল ইসলাম।"
সৃজনশীল ও সমাজকর্মী হিসেবে বিশেষ পরিচিত সর্বভারতীয় নবচেতনার কোষাধ্যক্ষ ও প্রেরণার সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল হোসেন বিশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে ১ লক্ষ টাকা দান করলেন।
স্কুলের বুনিয়াদী বশিক্ষায় আত্ম নিয়োগ করেছেন তিনি। তাঁর গবেষণার বিষয় প্রমাণ করে তিনি অন্যদের থেকে একটু আলাদা। তাই কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে গবেষণা করে পি এইচ ডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এখনও পর্যন্ত এই জাতীয় গবেষণায়র কাজের উল্লেখযোগ্য অবদান তাঁরই আছে।
করোনার মতো মারণ ভাইরাসের হাত থেকে রুখতে মানুষের পাশে দাঁড়াতে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে টাকা দান করে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে এলেন।
চাপড়ার বিস্তীর্ন এলাকায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে তাঁর সমাজকল্যাণের কথা। এর আগেও দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ড. আবুল হোসেন বিশ্বাস ম।
সর্বভারতীয় নবচেতনার সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ অন্যদেরকেও করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে মানুষকে সচেতন করতে এবং আর্থিক সাহায্য করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ড. আবুল হোসেন বিশ্বাসকে উসাহিত করছেন আরও কিছু ভালো কাজ করতে।
দেখা গেছে শিক্ষক ডঃ আবুল হোসেন বিশ্বাসকে।

