আজ আমরা মহাধুমধামের সঙ্গে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করছি,কিন্তু আমরা একবারের জন্য ভাবিনা আমরা কি সত্যি স্বাধীনতা পেয়েছি,
আমরা কি রাস্তা দিয়ে স্বাধীন ভাবে চলা ফেরা করতে পারি, আমরা রাতে কোনো দরকার পড়লে একা রাস্তায় বেরোলো আমরা কি সঠিক সময়ে সুস্থ ভাবে বাড়ি ফেরার কথা ভাবতে পারি, মনেহয় পারিনা,
যদি ভাবতাম তাহলে ঘটা করেনারী দিবস পালন করতামনা, আর টুম্পা হালদারের মতন মেয়েকে আমরা খুঁজে পেতাম হয়তো
সালে কালনার কাটিগঙ্গা এলাকায় নবম শ্রেণীতে পড়া কালীন উড়িষ্যার নিবাসী একটি লোক কালনার মহিষমর্দিনী তলা তে চালের আড়তে কাজ করতো সেই লোকটি টুম্পা হালদার কে বিরক্ত করতো, টুম্পা হালদার প্রতিবাদ করাতে তার মুখে বাড়ীর সামনে এসে আসিড মারে,
লোকটি গ্রেপ্তার হয়, কিছুদিন কেস চলে তারপর জামিনে ছাড়া পায়,
টুম্পা হালদার কিন্ত সেই জের আজও নিয়ে বেড়াচ্ছে,নানা মানুষের হাজারো প্রশ্নের উত্তর দিয়ে চলেছে, মানুষের চোখে আজ সে খারাপ, কিছু দোষ ছিল তাই সে আসিড মেরেছে,
আজ সে চিকিৎসা করাতে করাতে পথের ভিখারি হয়েছে, দুবেলা ভালো করে খাবার জোটেনা, রেশন থেকে চাল দিলে,
তার পরিবার খায়, ঘরে টিভি নেই, টিভি দেখতে ইচ্ছা করলেও উপায়নেই, যে পয়সা দিয়ে টিভি রিচার্জ করবে সেই টাকা দিয়ে চাল কিনে খাবে, এটাই জানে টুম্পা হালদার, টাকার অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না, তার শরীরে প্রচুর কষ্ট, চোখে ভালো করে দেকতে পায়না, আভাবের তাড়ণাতে অনেকবার আত্মহত্যা করতে গেছে অনেক বার,তার এই মরন যন্ত্রণার খবর কেউ নেয়না,
কোনো রকমে এই পরিবারটি বেচে আছে, এই হলো নারী স্বাধীনতা,





