অরিত্র ঘোষ, শান্তিনিকেতন।
নোভেল করোনা ভাইরাস আতঙ্কে স্থগিত বিশ্বভারতী ঐতিহ্যবাহী বসন্ত উৎসব, কিছু টা হলেও এলোমেলো যেন শান্তিনিকেতনের আবহাওয়া। একদিকে যেমন পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে সেই সঙ্গে বাড়ছে আগত পর্যটকদের হতাশা।
প্রসঙ্গত বলা যায় এবছর বসন্ত উৎসব ঘিরে ঢালাও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল জেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে যাতে আগত পর্যটকদের কোনোরকম অসুবিধার সম্মুখীন না হতে হয়।
বসানো হয়েছিল ১৫টি পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র এবং ৬টি ওয়াচ টাওয়ার।
পার্কিং জোন করা হয়েছিল ১০টি।
সঙ্গে ছিল ১৫০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা, ও ড্রোন ক্যামেরার নজরদারি। সমস্ত আগত মানুষজনের নিরাপত্তার সুবিধার্থে মেলার মাঠে প্রত্যেকটি জায়গায় ছিল পানীয় জলের সুব্যবস্থা ও টয়লেটের ব্যবস্থা।
১৫টি পুলিশ সহায়তা কেন্দ্রে ছিল পানীয় জল ও গাইডম্যাপের ব্যবস্থা।যাত্রীদের সুবিধার্থে, টোটো'র জন্য ৪টি আলাদা রাস্তা করা হয়েছিল যাতে তারা অন্য রাস্তায় না যায়।
জায়ান্ট স্ক্রীন রাখার ব্যবস্থা ছিল এ বছরে, হোল্ডিং জোনে দাঁড়িয়ে যাতে দূরের দর্শকরাও দেখার সুযোগ পান,ছিল ৫টি মেডিকেল ক্যাম্প ও পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যাম্বুলেন্স।
অন্যদিকে করোনা আতঙ্কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হলো রবীন্দ্র মিউজিয়াম এবং বাংলাদেশ ভবনের মতো দর্শনীয় স্থান গুলি। এত কিছুর মধ্যেও কিন্তু ভাঁটা পড়েনি সপ্তাহান্তে পর্যটকদের আগমনে।
বোলপুর স্টেশন এর চিত্র টা ছিল অন্যান্য দিনের থেকে একটু আলাদা, ভিড় থিক থিকে ছিল স্টেশন চত্বর ঠিকই, কিন্তু কোথাও যেন ভেসে উঠছিলো একরাশ হতাশার আর যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি।



