তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সাথে কথা বলছেন পরিবারের সদস্যরা। প্রেম ঘটিত কোনও কারণ আছে কি’না, খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। জানা গেছে, মৃত ছাত্রীর নাম তাপসী দাস(১৯)।
বৈষ্ণবনগর থানার দেওয়ারিটোলায় বাড়ি তাঁর। তিনি সুলতানগঞ্জ কলেজে প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বাবা তরুণ দাস পেশায় মজুর। তাপসীরা ৬ বোন। বোনেদের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ১০টা নাগাদ খাওয়া-দাওয়ার পর সকলের মতো তাপসীও ঘুমতে যান। পাশের অন্য একটি ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের লোকেদের।
দরজা খোলার কথা বললেও কোনও সাড়া না পেয়ে ওই ঘরের ছাউনির টালি তুলে দেখা যায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ। গলায় তাঁর ওর্ণা জড়ানো ছিল।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতেল নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে জানান।
ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মৃতার বাবা তরুণ দাস বলেন,‘রাতে সকলে একসঙ্গে ঘুমতে যাই। স্বামী-স্ত্রী মিলে আমরা এক ঘরে ঘুমাতে যাই। তাপসীরা ৩ বোন মিলে আরেক ঘরে ঘুমতে যায়।
কিন্তু সকালের দিকে অন্য বোনেদের ঘুম ভাঙলে তাপসীকে না দেখে খোঁজখবর শুরু হয়। পাশের অন্য একটি ঘরের দরজা বন্ধ দেখে খোলার জন্য বলা হয় তাপসীকে। কিন্তু কোনও সাড়া পাওয়া যায় না।’
যদিও মৃত্যুর কারণ নিয়ে কিছুই বলতে পারেন নি বাবা তরুণ দাস। মেয়ের মৃত্যুতে তিনিও হতভম্ব। তিনি বলেন,‘কিছুই বুঝতে পারছি না।
খোঁজখবর নিয় সন্দেহজনক কিছু থাকলে থানায় জানানো হবে।’

