বাবাই সূত্রধর,দক্ষিণ দিনাজপুর,
গঙ্গারামপুর ২১মার্চ,দক্ষিণ দিনাজপুর;
বাসিন্দাদের অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের খাবার বিলীতে কারচুপি করে কম দেবার ঘটনায় সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি কর্মীকে দীর্ঘ সময় ধরে ঘরোয়া করে রাখল ক্ষুদ্ধ গ্রামবাসীরা।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর ব্লকের তিল ছড়া অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার। ক্ষুব্দ গ্রামবাসীরা সরকারি জিনিসপত্র আত্মসাৎ করার ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি তুলেছে।
সেন্টারের অভিযুক্ত কর্মী অবশ্য তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনা না করে চাল ,ডাল, বিলি করাতে ই এমন সমস্যা হয়েছে।
পরে অবশ্য এলাকার বিশিষ্ট নেতৃত্ব দের কাছে ওই কর্মীর বিরুদ্ধে আগামী সোমবারে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।
কোরোনা আতঙ্কের মধ্যে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার খাবার সেন্টারে এখন তৈরি না করে বাড়িতে বাড়িতে বিলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সেই মোতাবেক গঙ্গারামপুর ব্লকের বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার গুলিতে একজন মায়েদের জন্য দুই কেজি করে চাল,দুই কেজি করে আলু সেন্টারের কর্মীদের মাধ্যমে প্রতিটি শিশু ও মায়েদের বাড়িতে পৌঁছে দেবার নির্দেশ দিয়েছেন দপ্তর থেকে।
শনিবার দুপুরে গঙ্গারামপুর ব্লকের তিলছড়া অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী স্বপ্না দাস সরকারের বরাদ্দকৃত মা ও শিশুদের চাল ও আলু বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে না দিয়ে সেন্টার এর মধ্যে টা বিলি করছিল।।
সেন্টার সূত্রে খবর, তিল ছড়ার আশেপাশে র ৬৪ জন মা ও শিশু ওই সেন্টার থেকে পরিষেবা পেয়ে আসছিলেন।
অভিযোগ উঠেছে দিদিমণি চালু ,আলু কম দিচ্ছিল। প্রতিবাদ করতেই তিনি জানান অফিস ও সুপারভাইজার যে নির্দেশ দিয়েছেন তাই তিনি করছেন।
এর পরেই সরকারি আদেশ নামা দেখে দিদি বোনের কাছে ক্ষুব্ধ সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি কর্মী স্বপ্না দাস কে ঘেরাও করে রাখে।
এলাকার বাসিন্দা তথা সেন্টার থেকে পরিষেবা পাওয়া পারভীন বিবি, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মোশারফ হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেনারা অভিযোগ করে বলেন, বাসিন্দাদের ফাঁকি দিয়ে কর্মী চাল ও আলু চুরি করে বাড়ি নিয়ে যাবার পরিকল্পনা করছিলেন।
সেই কারণেই এমন আন্দোলনে নামা হয়েছে। অভিযুক্ত দিদিমনির কঠোর শাস্তির দাবী জানাই।
ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই সেখানে ছুটে আসেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী জবেদ আলী সরকার।
বিষয়টি নিয়ে দপ্তরের আধিকারিক এর সঙ্গে কথা বলবেন বলে তিনি জানান।পরে তিনি বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে অভিযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দিলে তিন ঘন্টা পরে ঘেরাও মুক্ত হই ওই কর্মী।
গঙ্গারামপুর বাসির অভিযোগ কেন এত লোভ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। বেশিরভাগ কর্মীর নামেই রয়েছে ভুরি ভুরি অভিযোগ।
তার উপরে আবার কেন মা ও শিশুদের বরাদ্দকৃত চাল ও আলু দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা।
যতক্ষণ প্রশাসন ওই সমস্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না নেই ততক্ষণ পর্যন্ত ওই কবিরা সরকারি চাল আলু চুরি করে বাড়ি নিয়ে যাবার চেষ্টা করবি বলে অভিমত সকলের।

