,
রাজ্যে মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের নির্দেশ মেনে, প্রথম দিনে,প্রথম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাক্ষ লাক্ষ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিলেন। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রাণপণ চেষ্টা করছে, ছাত্রী ও ছাত্ররাও যে যেমন সে তেমন প্রস্তুতি নিয়েছে।
দরিদ্র দিনমজুর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পরিবারের সদস্যরা ও প্রতিবেশী আরো অন্যান্য প্রভাব প্রতি পত্ত্যিসালী, বিত্তশালী তাদের প্রিয় সন্তানদের জন্য কোন কিছুই ত্রুটি রাখেনি বলা চলে।
যাইহোক না কেন এইটাই চলেছে বংশপরম্পরায়,যার যেমন পরিবেশ পরিস্থিতি তার তেমন অবস্থা চলছে।
সরকারি বে সরকারি প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে ও রাজনৈতিক দল গুলো ও যে যার মতো করে মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের ও পরীক্ষার্থীদের পরামর্শ সাহায্য সহযোগিতা করতে এগিয়ে এসেছেন তাদের প্রিয় শিক্ষার্থীকে।
এক এক এলাকায় এক এক রকমের পরিবেশ পরিস্থিতি, পরীক্ষা কেন্দ্রের কি ভিতরে কি বাইরে।
পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে নির্দিষ্ট স্থানে ঠিক ঠাক প্রয়োজনীয় টয়লেট না থাকায় অস্বস্তিতে পড়তে হয় , আরব কোথাও কোথাও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন অভিভাবকদের কি মহিলা ও পুরুষদের।
পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করার পর বাহিরের এলাকায় না আছে ঠিক ঠাক আচ্ছাদন ও টয়লেট এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আগামী দিনে আরো ভালো করে খোঁজ খবর নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র পরীক্ষার্থীদের জন্য ও কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
কোথাও কোথাও পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে ও অভিভাবকরা বাহিরে যারপর নাই ভিষণ উদ্বেগজনক মাত্রায় সমস্যায় পড়তে হয়েছে ও ভুগেছেন বলে জানা গেছে টয়লেট ও বাহিরে কোন ধরনের টয়লেট ও ছাউনি না থাকায় অস্বস্তিতে কাটিয়েছেন পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের দোকানে, গাছতলায়, পথে ঘাটের পাশে দাঁড়াতে হয়েছে কিছূটা রৌদ্র মুখর পরিবেশে।
এবছর হাওড়া ও হুগলি সহ আরো কয়েকটি এলাকার কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো। হাওড়ায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সাতচল্লিশ হাজার দুই শত ঊনত্রিশ, ছাত্রী ছাব্বিশ হাজার আটশত পৈঁত্রিশ , ছাত্র কুড়ি হাজার তিনশত চুরানব্বুই, পরীক্ষা কেন্দ্র একশত চুয়াল্লিশ।
হুগলি জেলায় পরীক্ষার্থী পঞ্চানন হাজার বাষট্টি জন, ছাত্রী তিরিশ হাজার ছয়শত তিরিশ জন, ছাত্র চব্বিশ হাজার চার শত বত্রিশ জন, পরীক্ষা কেন্দ্র একশত চৌষট্টি।
হাওড়া জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক শান্তনু কুমার সিনহা জানান আমাদের দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে তমলুক মহকুমায় পরীক্ষা কেন্দ্র চৌত্রিশ আর পরীক্ষার্থী কুড়ি হাজার নয় শত ছষট্টি, হলদিয়া মহকুমায় পরীক্ষা কেন্দ্র উন্নিশ, পরীক্ষার্থী এগারো হাজার দুই শত তিরাশি,কাঁথি মহকুমায় পরীক্ষা কেন্দ্র একত্রিশ, পরীক্ষার্থী পনেরো হাজার সাতশত একানব্বুই,এগরা মহকুমায় পরীক্ষা কেন্দ্র বাইশ, পরীক্ষার্থী এগারো হাজার ছয়শত একত্রিশ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় পরীক্ষা কেন্দ্র একশত চব্বিশ, পরীক্ষার্থী তিপান্ন হাজার আটশত ঊনচল্লিশ, ছাত্র চব্বিশ হাজার আটশত ঊনোপঞ্চাশ, ছাত্রী আঠাশ হাজার নয় শত নব্বই, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পরীক্ষা কেন্দ্র অ্যাডিশনাল ছয় ধরে মোট একশত ছয়, পরীক্ষার্থী ঊনষাট হাজার ছয়শত, ছাত্র আঠাশ হাজার একশত ঊনত্রিশ, ছাত্রী একত্রিশ হাজার চার শত একাত্তর, ঝাড়গ্রাম জেলায় পরীক্ষা কেন্দ্র তেত্রিশ, পরীক্ষার্থী তের হাজার নয় শত ছিয়াত্তর। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার জানান মহিলাদের জন্য চালু হেল্প লাইন নাম্বারে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো সমস্যা হলে ফোন করতে পারেন 8001007868 এ।
আরো যানা যায় মাওবাদী এলাকার ছাত্র ছাত্রী দের মধ্যে এক হাজার ছাব্বিশ জনকে পরীক্ষার খাতা রেখে লেখার জন্য বোর্ড প্রদান করা হয়েছে ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত রকম প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রথম দিনের প্রথম পরীক্ষা শেষে দেখা গেছে আগে ছাত্র ও পরে ছাত্রীদের পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বাহির করা হয়,কি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পরীক্ষা কেমন হলো কি কি ধরনের সমস্যা হয়েছে তা জানার জন্য অধীর অপেক্ষায় ছিলেন পর্যায়ক্রমে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ধরে। দেখা যায় কি ছাত্রী কি ছাত্র তাঁরা উৎফুল্ল হয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে গেটের বাইরে বের হয় , গেটের বাইরে থিক থিক করছে থমথমে পরিস্থিতিতে উৎকণ্ঠায় থাকা অভিভাবকরা।
পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া সামগ্রী ধরে নিয়ে, সন্তানের কাছ থেকে শুনতে শুনতে এগিয়ে চলেছে যে যার নিজের নিজের গন্তব্য গৃহে হোস্টেলে মেষে। এদিকে দেখা যায় পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের মধ্যে ভাববিনিময় আলাপ আলোচনা গুঞ্জন চলছে পুরোদমে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ নিয়ে।
পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার মুহুর্ত আমাদের প্রতিনিধির ক্যামেরায় ও প্রতিবেদনে। পরীক্ষা কেন্দ্র ঢোকার আগে দেখা গিয়েছে শিক্ষক শিক্ষিকা অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের আশির্বাদ করলেন ও এলাকার সাংসদ ও বিধায়কের শুভেচ্ছা ব্যানার ফেস্টুন, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা কেন্দ্র ও লাগোয়া এলাকায় টহল দিতে।





