একদিকে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ। অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনার অভিযোগে সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। মার্চে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পরীক্ষার্থীর তার প্রস্তুতি নিচ্ছে সেই সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় যেসকল ঘটনা ঘটেছে তাথেকে শিক্ষা নিয়ে আরো নিপুন ভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে উদ্যোগ নেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান বলে মনে করেন অনেক অভিভাবক কথা প্রসঙ্গে তাঁরা বলেন।
পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে ও বাইরে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার ব্যবস্থা নেয়া হোক বলে দাবি করেন। এদিকে পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা গত আট দিন ধরে কেউ কেউ আবার পালা করে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে, নিজের নিজের কর্ম ধর্ম সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান থেকে সরে দাঁড়িয়ে জীবন যাপন জীবিকা গুটিয়ে বা অগোছালো ভাবে করেছেন তাদের প্রিয় সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য জীবনের প্রথম পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে।
আগামী পরশু দিন থেকে অনেক টাই বাঁধার বাঁধন খুলে বা থেকে রেহাই পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। আবার কারুর মার্চ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পালা তার প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবারের সদস্যরা বলে জানা গেছে।
কিন্তু বাস্তবে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ কি থেকেই যাবে না আরো কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আগ্রসর হবে সরকার তা কেবল সময়ের অপেক্ষা ভাবী সময় তা বলবে।
এরকমই এক দৃশ্য দেখা গেল আমাদের প্রতিনিধির প্রতিবেদন ও ক্যামেরায়,মা কর্মরত আছেন কিন্তু তার মোন পড়ে আছে পরীক্ষা কেন্দ্রে তার প্রিয় সন্তানের জন্য সুখ শান্তি অনেকাংশেই নির্ভর করে তার জীবিকার উপর কথা প্রসঙ্গে জানা যায়।

