দক্ষিণ দিনাজপুর,৬ ফেব্রুয়ারি;
শিক্ষিকা ও তার দিদিকে নিগ্রহের মূল অভিযুক্ত অমল সরকার কে গ্রেফতার করল পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা গঙ্গারামপুর থানার নালাগোলা রাস্তায় একটি বেসরকারি বাস থেকে নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান অমল সরকারকে গ্রেপ্তার করে ।
বসাত দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে কোর্টে পাঠিয়েছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।
গত শুক্রবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানা নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ফতেনগর এলাকায় জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরির কাজের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের উপপ্রধান সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।শিক্ষিকা ও তার দিদির অভিযোগ জমির উপর দিয়ে জোর করে রাস্তা তৈরীর কাজ করছিল স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমল সরকার সহ বেশ কিছু তৃণমূল কর্মীরা।
বিষয়টা নিয়ে বাড়ির সদস্য স্মৃতি কণা দাস ও তার দিদি বাধা দিলে তাদের হাত পা বেঁধে মারধরের পাশাপাশি শ্লীলতাহানীর ও খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনার শিকার হন শিক্ষিকা ও তার দিদি।
ঘটনার ভিডিওটি ভাইরাল হয় সোস্যাল মিডিয়ায় যা দেশ ব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। স্থানীয় উপপ্রধান অমল সরকার সহ পাঁচ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই শিক্ষিকা ।
অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার গোবিন্দ সরকার ও তপন শীল নামে দুজন কুখ্যাত সমাজ বিরোধী অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।
ঘটনায় মূল অভিযুক্ত নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমল সরকার কে সাসপেন্ড করেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।
ঘটনার মূল অভিযুক্ত গা ঢাকা দিয়ে বেশ কিছুদিন অধরা থাকলেও শুক্রবার গোপন সূত্রের খবর পেয়ে নালাগোলা র একটি বেসরকারি বাস থেকে মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমল সরকার কে গ্রেফতার করে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।
নালাগোলার একটি বেসরকারি বাসে করে পালানোর চেষ্টা করছিল মূল অভিযুক্ত অমল সরকার বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
এদিন মূল অভিযুক্ত অমল সরকার কে গঙ্গারামপুর থানায় নিয়ে আসা হয় এবং সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বুনিয়াদপুর কোঠে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্রামীণ ডাবলু ভুটিয়া জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নালাগোলা একটি বেসরকারি বাস থেকে নন্দন পুরের ঘটনার মূল অভিযুক্ত অমল সরকারকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি।
আজ তাকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।খুব শীগ্রই বাকি দুই জনকেই গ্রেপ্তার করা হবে।
