এই রাজ্যে আলু বেলা পটল বেলা ভাতা পাচ্ছেন অথচ প্রকৃত যারা শিল্পী রয়েছে তারা বঞ্চিত।
কেন্দ্রীয় সরকার এই রাজ্যের শিল্পীদের জন্য একাধিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করলেও বর্তমান রাজ্য সরকার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার পুরাতন মালদার রেলওয়ে ফুটবল ময়দানে অনুষ্ঠিত মালদা জেলা শিল্পী সমাবেশে যোগ দিয়ে রাজ্য সরকারকে এইভাবেই একহাত নিলেন সারা ভারত কীর্তন বাউল ও ভক্তি গীতি শিল্পী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সর্বভারতীয় সভাপতি সিদ্ধার্থ সেখর নস্কর।
তিনি ছাড়াও এদিন এই শিল্পী সমাবেশে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মালদা জেলার সম্পাদক রামকৃষ্ণ সরকার, বাদল সরকার সহ অন্যান্য অতিথিরা।
এদিন মালদা জেলার বিভিন্ন ব্লক থেকে ঝুমুর শিল্পী, ডঙ্কা শিল্পী, আদিবাসী শিল্পী, বাউল ও কীর্তন শিল্পী সহ কয়েক হাজার শিল্পীরা উপস্থিত হয়েছিলেন।
উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার সারা ভারত কীর্তন বাউল ও ভক্তি গীতি শিল্পী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে মুচিয়া রেলওয়ে ফুটবল ময়দানে আয়োজন করা হয়েছিল মালদা জেলা শিল্পী সমাবেশের।
সমাবেশে অংশ নিয়ে রাজ্য সরকারকে এদিন একহাত নেন ওই সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি সিদ্ধার্থ সেখর নস্কর। তিনি জানান প্রায় কুড়ি বছর হল পথ চলা শুরু করেছে তাদের এই সংগঠন।
বর্তমানে গোটা ভারতবর্ষে 2 কোটি শিল্পী, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে 50 লক্ষ শিল্পী তাদের সংগঠনের সাথে যুক্ত। শিল্পীদের মান বৃদ্ধি, দুঃস্থ শিল্পীদের পরিষেবা প্রদান তাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
বর্তমানে তারা কীর্তন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, শিল্পীদের পেনশন এবং এককালীন ভাতা প্রদান সহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে এই রাজ্যের পাশাপাশি ভারত জুড়েই আন্দোলন সংঘটিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ইতিমধ্যে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আশ্বাস পেয়েছেন।
কিন্তু এই রাজ্যে প্রকৃত শিল্পীরা বঞ্চিত। আলু শিল্পী, পটল শিল্পীদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

