‘সিএবি-র অধীনে অনূর্ধ্ব-১৩ ও অনূর্ধ্ব-১৫ জেলার খেলোয়াড়দের নিয়ে জোনাল ক্যাম্প করা হবে।
ওই ওপেন ক্যম্পে জেলা ডিএসএ তাদের তালিকা পাঠাবে সিএবি-তে। ক্যাম্পের মাধ্যমে ২০-২৫ জন বাছা হবে।
পরে তাদের চ্যালেঞ্জার ট্রফি-তে অংশ গ্রহণের সুযোগ পাবে। এই পরিকল্পনা বিসিসিআই-র সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলির।’
মালদায় এসে একথাগুলি জানিয়ে গেলেন সিএবি-র যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস।
রবিবার এসেছিলেন মালদা ক্লাব দিন-রাতের ক্রিকেট আকাদেমি-র উদ্বোধনে।
তিনি আরও জানান, ‘কোচিং সেন্টারগুলির জন্য দরকার ইন্ডোরে খেলার পরিকাঠামো।
বৃষ্টির সময় খেলোয়াড়রা সেখানে অনুশীলন করতে পারে যাতে।
পাশাপাশি এই আকাদেমির সংশ্লিষ্ট মাঠে অনূর্ধ্ব-১৩ ও অনূর্ধ্ব-১৫ খোলোয়াড়দের অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হবে।
এখানে প্রধান প্রশিক্ষক কাঞ্চন মাইতি রয়েছেন। উনি ভাল করে জানেন কীভাবে একজন খেলোয়াড়কে পরিণত করা যায়।’
পাশাপাশি কোচদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে দেবব্রবাবু বলেন,‘আমাদের সিএবি-তে কোচদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে হয়ত এখান থেকে ২ জনকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দেওয়া যেতে পারে।’
মালদা ক্লাবে বিগত ২০ বছর ধরে ক্রিকেট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।
এবার ব্যাপাকাকারে আকাদেমির সূচনা করা হল। আপাতত ৭ জন কোচ রয়েছেন। প্রধান কোচ হিসেব রয়েছেন কাঞ্চন মাইতি।
দিন-রাতের এই আকাদেমিতে ১২০ জন খেলোয়াড়কে দিয়ে শুরু করা হল। এদিন তার সূচনা হয়ে গেল।
ফিতে কেটে আকাদেমির সূচনা করেন সিএবি-র যুগ্ম সম্পাদক দেবব্রত দাস। হাজির ছিলেন ভারতীয় প্রাক্তন টেস্ট খেলোয়াড় শিবশঙ্কর পাল, অ্যাসিসট্যান্ট ডিভিশনার কমিশনার দেবতোষ মন্ডল, প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব শুভেন্দু চৌধুরি-সহ অন্যান্যরা।


