উত্তরপ্রদেশে হিংসার ঘটনায ধৃত ৬ জনেরই বাড়ি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর এ |
উত্তর প্রদেশে পুলিশের তরফে মালদা জেলা পুলিশ কে এখনো কিছু জানানো হয়নি |
তবে লখনৌতে থাকা ধৃতদের সঙ্গিরাই তা ফোন করে তাদের পরিজনদের জানিয়েছেন |
আর তা শোনার পরেই মুসলিম পড়েছেন ধৃতদের আত্মীয়রা |
পাশাপাশি ধৃতরা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার সদস্য বলে দাবি করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ | ধৃতদের পরিবারের পাশাপাশি তা মানতে চাননি প্রতিবেশীরাও |
লখনৌতে ধৃতদের মধ্যে রয়েছে ডাঙ্গিলা এলাকার খায়রুল হক, সালেদুল হক, সাগর আলী ও সঞ্জুর আলী | খায়রুল ও সালেদুল দুই ভাই | বাকি ধৃত দুজন শাহ আলম ও আসলাম শেখের বাড়ি জনমদল এলাকায় |
সেখানে একই হোটেলে শ্রমিকের কাজ করতেন তারা | বাকি দুজন জনমদল এলাকার |
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃত যুবকদের বয়স ১৮ থেকে ২৮ এর কোঠায | খায়রুল ও তার ভাই সালেদুল ১০ বছর ধরে লখনৌ তে কাজ করেন |
বাকিরা কেউ পাঁচ বছর, কেউ সাত বছর লখনৌতে রয়েছেন | সেখানে থাকা শ্রমিকরাই শনিবার রাতে ফোন করে ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করার বিষয়টি জানান | মুষড়ে পড়েছেন পরিবারের লোকজন |
ধৃত সাগর আলির বাবা আরিফুল হক বলেন, ওরা রুজির জন্য ওখানে গিয়েছে | ওদের পাঠানো টাকায় কোন রকমে সংসার চলে | ওরা কোন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা মিথ্যে |
ধৃতদের পরিবারের দাবি, জমাযেতের কথা শুনে ওরা সেখানে তা দেখতে গিয়েছিল | গন্ডগোল শুরু হতে দেখে সেখান থেকে ওরা পালিয়ে যায় | রাস্তার পাশে গুলির মধ্যে একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিল |
পরে পুলিশ মাইকিং করে যে যেখানে লুকিয়ে আছে তাদের বাড়ি ফিরতে বলে | কিন্তু রাস্তায় বের হতেই পুলিশ খালেদুল কে গ্রেফতার করে |
বাকিরা পুলিশের কাছে গিয়ে তারা কিছু করেননি, দেখতে এসেছিলেন জানাতেই তাদের গ্রেফতার করা হয় | লখনৌতে থাকা এলাকাযর শ্রমিকরা এমনটাই তাদের জানিয়েছেন বলে বাসিন্দারা দাবি করেছেন |
হরিশ্চন্দ্রপুর এর বিধায়ক মুস্তাক আলম বলেন উদ্দেশ্যপূর্ণ ভাবেও রাজ্যের খেটে খাওয়া মানুষদের জেলে পোরা হচ্ছে | ওরা ওখানে রাজনীতি করতে গিয়েছে নাকি |
দুটো টাকা রোজগারের আশায় গিয়েছে |
হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, উত্তর প্রদেশ পুলিশ এখনো অফিসিয়ালি আমাদের কিছু জানায়নি |
আমরাও স্থানীয়ভাবে ধৃতরা হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার বলে জানতে পেরেছি |
