চব্বিশে ডিসেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে পর্যায়ক্রমে খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বী মানুষজন তাদের গৃহে বাড়িতে, গ্রাম শহর পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় মিশন আশ্রম চার্চে উপসনালয়ে প্রভু যীশু খ্রিস্টের মতাবলম্বী বাইবেল অনুসারে,, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য ক্ষেত্র অনুসারে গৃহ অফিস ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উপাসনালয় পাড়ায় মহল্লায় চকচকে ঝকঝকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ সাজসজ্জা রং আলোকসজ্জা,, সেবা প্রদান করা,,
বাইবেল পাঠ করা আলোচনা করা ও খ্রীষ্টান ধর্ম অনুসারে ধর্মীয় অনুভূতিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিচিত্রানুষ্ঠান নাচ গান আবৃত্তি ছড়া কবিতা আঁকা ক্যুইজ শ্রুতি নাটক , নাটক , বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, পথপরিক্রমা অন্ন্য ভোজন শিন্নি প্রশাদ ভোগ বিতরণ করা।
সকলের জন্য সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি সুস্থতা মঙ্গল কামনা করা হবে বলে সূত্রে জানা গেছে। সারা বিশ্বের সাথে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি ইণ্ডিয়া হিন্দুস্তান ভারতবর্ষে ,
অঙ্গ রাজ্য ও বাংলা বাঙালির মনে প্রাণে মননে যুগ যুগ ধরে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সব ধর্মের মানুষের মিলন মেলায় নিজেরাই নিজেদের মতো করে আনন্দ উপভোগ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সার্বজনীন ভাবে বলে মনে করেন অনেকে। সেই ঈশ্বর, আল্লাহ পাক,অবিনেশ্বর, প্রভু যীশু,
আবালবৃদ্ধবনিতা নতুন পোশাক পরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে আলোকসজ্জা আলো ঝলমলে পরিবেশে খ্রীষ্ট ধর্মের প্রবক্তা প্রভু যীশু খ্রিস্ট ও মা মেরীর অলৌকিক ক্ষমতা ও ঘটনা দায়িত্ব দক্ষতার পরিচয় কে সামনে রেখে মানব জাতির কল্যাণে চার্চে ঐক্যবদ্ধভাবে ও গ্রাম শহর পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় আশ্রম মিশন উপসনালয়ে প্রভু যীশু খ্রিস্টের আত্মজীবনী থেকে আলোচনা করা ও প্রার্থনা করা হবে।
আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি পশ্চিমবঙ্গেও অনুরূপ ভাবে ঝাড়গ্রাম, কামারচৌকি,পশ্চিম, নিরমল হৃদয়, ডেবরা বালিচক রঘুনাথপুর মা ঙ্গানাম্মা আশ্রম ও ক্রাইস দ্যা কিং মিসন চার্চ,ও পূর্ব মেদিনীপুর গেঙখালি, হাওড়ার আন্দুল,কাটিলা আশা ভবন সেন্টার,গহলাপোতা আইকড,বাগনান, হাওড়া সাউথ পয়েন্ট, হুগলি জেলার ব্যাণ্ডেল, কলকাতার জোড়া গির্জা, পার্ক ষ্টিট, মল্লিক বাজার, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত, বাসন্তী,রামপুর, বাঁকুড়া,পুরুলিয়া, বর্ধমান, শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বী মানুষজন বন্ধুবান্ধব পরিবার পরিজন আত্মীয় স্বজন একত্রিত হয়ে মানব কল্যাণে নিয়োজিত থাকবে মা মেরী ও প্রভু যীশু খ্রিস্টের জন্মদিন ক্রিসমাস ডে উপলক্ষে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে।
বড়ো দিন উপলক্ষে প্রায় এক মাস ধরে হরেকরকম কেক তৈরির প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যে বিক্রেতারা বসেছেন কেকের ডালি সাজিয়ে সান্তা ক্লজ বা মেরী ক্রিসমাস টুপি মাথায় দিয়ে আবালবৃদ্ধবনিতা নতুন নতুন পোশাক পরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে যাবোতিয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ও অংশগ্রহণ করবেন।কেক কেটে সকলকে বিতরণ করবেন বলে জানান ব্রাদার মার্কুইস টপ্পো।
সিস্টার মা র্সের্লিনা ,জয়া,রীনা জানান আমাদের প্রতিনিধিকে ডেবরা বালিচক রঘুনাথপুর মা ঙ্গানাম্মা আশ্রমের আবাসিক মেয়েরা ও এলাকাবাসী সমাজের সর্বস্তরের মানুষ পাল আমাদের ক্রাইস দ্যা কিং মিশন চার্চের
প্রভু রামচন্দ্র, গৌতম বুদ্ধ, গুরু নানক সহ আরো অনেক ধর্ম প্রচার প্রসার ঘটাতে সারা বিশ্বে কঠোর কঠিন পরিশ্রম ও অনুশীলন অনুধাবন অনুশাষন ও কল্যাণ সেবা প্রদান করে প্রচার বিমুখ থেকে বা হয়ে এলাকার পর এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানব জাতির কল্যাণে আত্মত্যাগ করেও মানবের মাঝে মানবের মননে হৃদয়ে লালিত পালিত হচ্ছেন বলে ধর্মে বিশ্বাসী মানুষের ধারণা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী পাল পার্বণ পূজা অর্চনা সাধনা ভজনা চলে আসছে।
হাওড়ার কাটিলা আশা ভবন সেন্টারের ডিরেক্টর জন মেরী বাড়ুই বলেন আমাদের আশা ভবন সেন্টারে সমাজের সর্বস্তরের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মেয়েরা এখানে থেকে চিকিৎসা ও পঠন পাঠন করে তাই আমরা সারা বছর জুড়ে বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় অনুভূতিতে অনুষ্ঠান করে থাকি।
গহলাপোতার আইকডের প্রতিষ্ঠাতা ব্রাদার গ্যেষ্ট দয়ানন্দ যৌবন থেকে আজ পর্যন্ত দিবা রাত্রি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। মাধ্যমিক ছাত্রী সিরাজাম মনিরা বলেন আমি মা মেরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে শ্রুতিনাটক উপস্হাপন করেছি এক জন আবাসিক হোটেল ছাত্রী হিসেবে।





