ইতিমধ্যেই এই রাজ্যের মালদা মুর্শিদাবাদের মত মুসলিম সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় নিজেদের সংগঠন কে বিস্তার করতে শুরু করেছে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এম আই এম বা মিম।
আর এই সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক ভাগ হলে তাহলে আগামী দিনে সমস্যায় পড়তে পারে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।
আর এই মীমকে মোকাবিলা করার জন্য এবার এনআরসি কে ইস্যু করে সংখ্যালঘু ভোট ধরে ডাকতে বিভিন্ন অরাজনৈতিক সংগঠন কে কাজে লাগিয়ে জোরকদমে ময়দানে নেমেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।
অল ইন্ডিয়া মাইনোরিটি অর্গানাইজেশন নামক একটি সংগঠনের ডাকে মালদার পঞ্চানন্দ পুড়ে এনআরসি বিষয়ে আলোচনা সভায় মিম ও বিজেপিকে তুলনা করেন শাসক দলের নেতারা।
অল ইন্ডিয়া মাইনোরিটি অর্গানাইজেশনের সর্বভারতীয় সভাপতি নাসির আহমেদ দাবি করেন মিম নামক রাজনৈতিক দলের পাশে এই রাজ্যের মুসলিমরা থাকবে না।
সংখ্যালঘু মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক থাকবে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন তাদের রোল মডেল।
রাজ্যের সংখ্যালঘু দপ্তরের মন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন মোল্লা বলেন বিজেপির কাছ থেকে টাকা নিয়ে এই মিম রাজনৈতিক দলটি এই রাজ্যে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য মুসলিম সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক করার চেষ্টা করছে।
যদিও বিজেপির মালদা জেলার সহ-সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।
তাদের সাথে মিমের কোন যোগাযোগ নাই বলে তার দাবি। সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংকের ধ্বস নামবে তৃণমূলের বলে তিনি দাবি করেন।
বিজেপির সাথে সুরে সুর মিলিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করেছেন মালদা জেলার মিম নেতা আমির হোসেন।
তিনি বলেন মানুষকে বিভ্রান্ত করছে তৃণমূল।
নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বাঁচাতে মিম এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে কুৎসা করানো শুরু হয়েছে।
এদিন এনআরসি বিষয়ে এই আলোচনা সভায় রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন মোল্লা, জেলা তৃণমূলের সভাপতি মৌসম বেনজির নূর, প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র, মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল, প্রফেসর আজিজুল হক সহ জেলার তৃণমূলের সমস্ত সারির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

