আধুনিক সভ্যতা থেকে অনেকটা পিছিয়ে পড়া এই গ্রামের বেশিরভাগ লোক কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল।
শহর থেকে অনেকটা দূরে এই গ্রামের লোকসংখ্যা প্রায় বারোশো।
গ্রামের স্থানীয় নেতাজী ক্লাবের উদ্যোগে গ্রামবাসীরা এই প্রথম আয়োজন করে দেহদান কর্মসূচি ও রক্তদান শিবির।
এর পাশাপাশি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং চক্ষু পরীক্ষা শিবির ছিলো।
দেহদান কর্মসূচী প্রথম দিকে একটু অসুবিধা হলেও শেষ পর্যন্ত ক্লাবের ছেলেদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দেহ দানের পাশাপাশি 68 জন মানুষ রক্ত দান করেন।
যারা রক্ত দান করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন মহিলা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ।
সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় গ্রামের বেশকিছু মানুষ এবার মরণোত্তর দেহদান ও চক্ষুদান কর্মসূচিতে অঙ্গীকার পত্রে সই করেছেন, যা দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন এই গ্রামকে।
কলকাতা থেকে বেশ কয়েকজন ডাক্তার এনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের যেমন আয়োজন ছিল তেমনি চক্ষু পরীক্ষা করে ফ্রিতে ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল ।
দিনের শেষে 68 মানুষ রক্তদান করেন এবং 91 জন মানুষ বিনা ব্যয়ে চক্ষু পরীক্ষা করান।
এবং বেশ কয়েকজন মানুষ দেহদান কর্মসূচিতে অংশ নেয়। ----


