শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে অপমানিত হয়ে গলায় ফাঁস জড়িয়ে আত্মঘাতী এক প্রাথমিক শিক্ষক।
আত্মহত্যার আগে তাঁর বন্ধুদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মৃত্যুর কারণ, তার আত্মহত্যার জন্য শ্বশুরবাড়িকে দায়ী করে গলায় ফাঁস দেন তিনি।
এই মেসেজ পাওয়া মাত্রই বন্ধুরা তাঁর বাড়ি ছুটে গেলে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখেন।
পরে পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় মালদা মেডিক্যালের মর্গে।
পুলিশ জনিয়েছে, মৃতের নাম দেবাশিস পোদ্দার(৪২)। হবিবপুর থানার বুলবুলচন্ডীর কেন্দুয়া পূর্বপাড়ায় বাড়ি তাঁর। তিনি আইহো প্রাথমিক স্কুলের সহ শিক্ষক ছিলেন।
তিনি তাঁর মৃত্যু কারণ জানিয়ে রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মেসেজ লিখেন।
স্ত্রী শুভ্রা পোদ্দার ও ২ ছেলেমেয়ে নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, তাঁর সাংসারিক জীবন সুখের ছিল না।
যে কোনও অছিলায় দেবাশিষের ওপর অত্যাচার করত শ্বশুরবাড়ির লোকেরা।
এমনকী চরিত্রহীন বলেও মিথ্যে অভিযোগ করত। দীর্ঘদিন ধরে তারা মানষিক ও শারীরিক অত্যাচার চালিয়ে আসছে।
থানায় স্ত্রী, শাশুড়ি ও ২ শ্যালকের নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতের কাকা যোগেন্দ্রনাথ পোদ্দার।
পুলিশ অভিযুক্ত শ্যালক নরোত্তম সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে।
