পরীক্ষা ভাল দিতে পারে নি ছাত্রীটি। টেস্টে উত্তীর্ণ হওয়া কিছুতেই সম্ভব নয়।
অবসাদে কীটনাশক পান করে আত্মঘাতী ওই ছাত্রী। বাড়িতে অনুষ্ঠানের দিন, একদিকে তাঁর কাকাতো দিদির বিয়ের বিদায়, অন্যদিকে জীবন থেকে তার বিদায়।
আনন্দের বাড়ি পাল্টে যায় শোকে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম মেহেরজান খাতুন(১৬)।
চাঁচল থানার ধানগারা গ্রাম পঞ্চায়েতের শোলমারি গ্রামে বাড়ি তার। ৪ ভাইবোনের মধ্যে সে ছিল মেজ। বাবা আলমগীর পেশায় মজুর।
মেহেরজান স্থানীয় ধানগারা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার সন্ধের দিকে সে ইঁদুর মারার বিষ পান করে।
পরে জানাজানি হলে প্রথমে তাকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, পরে মালদা মেডিক্যালে আন হলে শুক্রবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবারই আবার তার কাকাতো দিদির বিয়ে ছিল।
দুপুরে সবার সঙ্গে হইহুল্লোড়ও করে সে। বিকেলের দিকে দিদির বিদায় হয়। অন্যদিকে সে নিজের ঘরে গিয়ে বিষ পান করে।
বাবা আলমগীর জানান,‘মাধ্যমিক দিত মেয়ে। কিছুদিন আগে স্কুলের টেস্ট পরীক্ষা হয়েছে। পরীক্ষা তার খুব একটা ভাল হয় নি।
পরীক্ষার পর থেকে পাশ করা নিয়ে ভয়ে ভয়ে ছিল। আমাদের ধারণা, পাশ করতে পারবে না বলে অবসাদে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় সে।’ বাবা আরও বলেন,‘বাড়িতে ইঁদুর মারার বিষ আমরা রাখি না। মেয়ে নিজেই দোকান থেকে কিনে নিয়ে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে।
কিন্তু মেয়ে এভাবে চলে যাবে, আমরা কল্পনাতেও ভাবতে পারি না।’
