গঙ্গারামপুর ,দক্ষিণ দিনাজপুর ۔
۔বিজেপিতে চলে যাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ বেশ কয়েকজন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলো ।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের জাহাঙ্গীরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপিতে যাওয়া প্রধান পিন্টু সরকার সহ বেশ কয়েক জন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে বালুরঘাটে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষের হাত ধরে দলীয় পতাকা তুলে দেন ।
যোগদানকারী পিন্টু ও গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা বিজেপিতে যাওয়া বিপ্লব মিত্র ও কালিপদ সরকার ঘনিষ্ঠ বলে সূত্রে জানা গিয়েছে ।
এদিন দলে যোগদানের পরে তারা তৃণমূলের হয়ে কাজ করবেন বলে জেলা সভাপতি কে জানিয়েছেন ।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি জানিয়েছেন, এই প্রধান ,মেম্বারদের দিয়ে আগামী দিনে এলাকার উন্নয়নের কাজ করা হবে পঞ্চায়েত স্তরে নেতৃত্বদের সঙ্গে নিয়ে ।
এমন দলবদলে বিজেপি সাংগঠনিকভাবে আরো দুর্বল হলে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল ।
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এককভাবে গঙ্গারামপুর ব্লকের জাহাঙ্গীরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ।
গত পঞ্চায়েত তৃণমূল কংগ্রেস গ্রাম পঞ্চায়েত একক ভাবেই দখল করে। প্রধান করা হয় বিপ্লব মিত্র ও কালিপদ ঘনিষ্ঠ পিন্টু সরকার কে। বিপ্লব মিত্র বিজেপি চলে যেতেই পিন্টু ও তার কিছু অনুগামী বিজেপি চলে যান ।
এর পরেই পিন্টু পঞ্চায়েত থেকে গাঢাকা দেয় ।
এরপরে পঞ্চায়েতে অচলাবস্থা তৈরি হয় ,তৃণমূলের টিকিটে ভোটে জিতে বিজেপিতে পিন্টুর যোগদানের বিষয়টি পঞ্চায়েত এলাকার মানুষজন ভালো ভাবে নেয়নি ।
এরপরে পিন্টু তৃণমূলে যোগদান করার জন্য তৃণমূলের জেলা সভাপতি সঙ্গে যোগাযোগ করেন স্থানীয় নেতৃত্ব ও কার্যকরী তৃণমূল সভাপতি সহযোগিতায় ,শুক্রবার রাতে বালুরঘাটে একটি অনুষ্ঠান করে পিন্টুসহ ওই এলাকার আরও তিন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষ,
।সেখানে জেলা তৃণমূলের কার্যকারী সভাপতি দেবাশীষ মজুমদার,গঙ্গারামপুরের তৃণমূলের অন্যতম নেতা জয়ন্ত দাস ,গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সুকুমার মহন্ত ,সহ এক ঝাঁক তৃণমূল নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন ।
দলবদল করার পরেই জাহাঙ্গীরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পিন্টু সরকার জানালেন, উন্নয়নের কাজ থমকে রয়েছে। তাই শাসক দলে যোগদান করে এলাকার মানুষজনের জন্য কাজ করতে তৃণমূলের নাম লেখালাম ।
এবার উন্নয়নে ভরে দেবো গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা ।
তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষ জানিয়েছেন, পঞ্চায়েতের প্রধান পিন্টু এবং কিছু গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপিতে যোগদান করেছিল তারা পুনরায় ফিরে এসেছে।
আগামী দিনে তাদের দিয়ে এলাকার উন্নয়নের কাজ করানো হবে, এলাকার পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতৃত্ব দের সঙ্গে নিয়ে ।
সম্প্রতি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে কিছু নেতারা দলে যোগদান করার পরেই শাসক দলের সংগঠনকে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল ।কিন্তু তৃণমূলের জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষ ও কার্যকরী সভাপতি দেবাশীষ মজুমদার মাধ্যমে তাদের সে স্বপ্ন দিবাস্বপ্নে পরিণত করেছে ।
আর জেলার তৃণমূলের সংগঠন শক্তিশালী হয়েছে ।যারা বিজেপিতে চলে গিয়েছিল তারাও শাসক দলের নাম লেখাচ্ছে কাতারে কাতারে ।
এখন যে তৃণমূলের সংগঠন ব্যাপক শক্তিশালী হবে সে ব্যাপারে বলার অবকাশ রাখে না ।
