পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে মানুষ এখন অনেকটাই সচেতন।
শহরাঞ্চলে কোনও জায়গায় সাপ ধরা দেখা গেলে সরাসরি ফোন করে ডাকা হয় সর্পবন্ধু নিতাই হালদারকে।
তিনি এসে সাপ উদ্ধার করে বন দপ্তরের হাতে তুলে দেন।
এর মধ্যে পুরাতন মালদা ও ইংরেজবাজার এলাকায় বহু সাপ উদ্ধার করে ফেলেছেন।
সোমবার ২টি পূর্ণ বয়স্ক গোখরো উদ্ধার করেন।
একটু পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিষধর সাপদুটি। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
শ
হরের ঘোড়াপীড়ের ঘোষপাড়া এলাকার একটি ইটের ভাটার পরিত্যক্ত ঘরে দেখা যায়।
এলাকার মানুষ খবর দেন সর্পবন্ধু নিতাইকে। তিনি সঙ্গে তাঁর সাপ ধরার সামগ্রী নিয়ে ছুটে আসেন। জানা গেছে ঘরটি যমুনা ঋষির।
এলাকার বাসিন্দা দিলীপ ঋষি বলেন,‘পরিত্যক্ত ঘরের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইটের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় সাপ দুটিকে।
বিশাল বড় বড় সাপ দুটি। ফণা তুলতেও দেখা যায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকার মানুষ। পরে উদ্ধার করা হয়।’ দিনে-রাতে যখনই খবর পান, অমনি ছুটে আসা চায়-ই চাই নিতাইয়ের। খুব ছোট থেকে তাঁর এই নেশা।
সাপ দুটি উদ্ধার করে বলেন,‘আমাদের আশপাশ সব সময় পরিষ্কার রাখা উচিৎ। সাপের খাদ্য সঙ্কট দেখা দিলে তখন লোকালয়ের মধ্যে এসে আবর্জনার মধ্যে আশ্রয় নিয়ে থাকে।’
তিনি আরও বলেন,‘মানুষ এখন সচেতন হচ্ছেন। অন্যান্য প্রাণীর মতো সাপও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে।
মানুষ পক্ষান্তরে সাপকে না মেরে পরিবেশের ভারসাম্য ধরে রাখাতে এগিয়ে এসেছেন। খুব ভাল দিক এটি।’


