তীব্র ঠান্ডা উপেক্ষা করে আধার কার্ডের জন্য পড়ছে মানুষের দীর্ঘ লাইন। রোজদিনই একই চিত্র।
একদিকে এনআরসি, সিএএ নিয়ে যখন উত্তাল সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যও, এই অবস্থার মধ্যে আধার কার্ডের লাইনের ভিড়ের কোনও হেড়ফেড় নেই।
বরং শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লাইন।
রাতভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও অধিকাংশ মানুষ ওই দিন হয়ত সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন না। অগত্যা ফিরে যেতে হচ্ছে।
আবার পরের দিন ভোররাতে লাইনে। দিনের পর দিন চলছে এই হয়রানি।
আধার কার্ডের জন্য যে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারকে দুষছেন তাঁরা।
আমজনতার বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ আধার কার্ডের জন্য প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে লাগাতারভাবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে শিবির করা হোক।
যাতে গ্রামের মানুষেরা নিজেদের এলাকাতেই আধার কার্ড সংক্রান্ত যেকোনও কাজ সহজেই করতে পারেন।
গাজোলে পোস্ট অফিস এবং দুটি ব্যাংকে আধার কার্ড সংক্রান্ত কাজ হচ্ছে।
যার ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নতুন আধার কার্ড তৈরি বা আধার কার্ড সংশোধনের জন্য এক বিরাট অংশের মানুষকে।
গাজোল ব্লকের মত এই বিপুল জনবসতিপূর্ণ এলাকার জন্য দরকার আরও বেশি এলাকায় আধার কার্ড সংশোধন নতুন আধার কার্ড তৈরীর কেন্দ্র।
কিন্তু তা না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই চাপ বাড়ছে এই সমস্ত কেন্দ্রগুলোতে। দিনের বেলা লাইনে দাঁড়াতে এসে অনেকেই পেছনে পড়ে যাচ্ছেন।
যার ফলে কাজ হচ্ছে না তাঁদের। আর তার জেরেই এই প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করেই ভোর চারটে থেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন আমজনতা।
শুধু গাজেল নয়, জেলার প্রতিটি ব্লকের চিত্রটা একই রকম। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোটা জেলায় পোস্ট অফিস, ব্যাঙ্ক মিলিয়ে মোট ৪০টি কেন্দ্রে আধার কার্ড সংশোধনের কাজ চলছে।
যা অনেক কম। জানা গেছে, সংখ্যাটা এত কম হওয়ায় মানুষের দীর্ঘ লাইন পড়ছে। ফলে কাজ দ্রুত গতিতে চলায় ভুল অনেকটাই বেড়েছে।
যা খবর তাতে, জেলার ৯০ শতাংশ আধার কার্ডে ভুল রয়েছে।
কিছুদিন আগে জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র ব্যাঙ্ক ও পোস্ট অফিসগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন, যাতে সংশোধনের কেন্দ্রগুলি বাড়াও যায়।
