প্রায় বিঘা দুই নিজের জমিতে গাঁদাফুল চাষ করেন।
সেখানে তিনি ধান ও শস্য চাষ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েই গাঁদা ফুল চাষে আগ্রহী হয়েছিলেন।
আর বছর দুই থেকে রজিৎ সরকার গাঁদাফুল চাষ করতে শুরু করেন তাতেই লাভের মুখ দেখেছেন তিনি।
খাদ্য শস্যের পরিবর্তে ফুল চাষ করে ক্ষতি হয়নি বরং ভালোই মুনাফা আসছে ঘরে।
রঞ্জিত সরকার জানান, এই ফুল চাষ গত দুই বছর ধরেই করে আসছেন।
তাতে তিনি ভালোই লাভের মুখ দেখছেন, এবার তিনি হলুদ গাঁদা ও কমলা গাঁদা এই দুই রকম গাঁদাই চাষ করেছেন।
এই গাঁদার চারা রজিৎ বাবু নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের জালাল খালি থেকে নিয়ে এসে ফুল চাষ করেন।
এই শীতের মৌসুমে এই ফুলের চাহিদা অন্য সময়ের তুলনায় অনেকটাই বেশি পাওয়া যায়। এই গাঁদাফুল চাষ করতে জৈব ও রাসায়নিক এন পি কে সার ব্যবহার করেন।
এই ফুল চাষে রঞ্জিত বাবুর তার স্ত্রী ও ছেলে দেবজিৎ এগিয়ে এসেছেন।
রজিৎ সরকারের গাঁদাফুল চাষ দেখে পাশে জমির মালিকেরা এই ফুল চাষে এগিয়েছেন।

