,,,
শীতকালে ঠাণ্ডা পড়ার সাথে সাথে বাংলা বাঙালির কৃষ্টি সংস্কৃতি লোকাচার কালচারের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরের আপামর জনসাধারণের মিলন মেলায় নিজেরাই নিজেদের মতো করে জীবন যাপন জীবিকার তাগিদে আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই চলছে।
শীতের মরসুমে ঠাণ্ডা ফিরফিরে হাওয়ায় জমে উঠেছে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরির প্রয়াস ও হরেকরকম পাটালি তৈরি করা।
মেলা খেলার মহা মিলন মেলায় আনন্দ উপভোগ করতে বাদনেই কেউ আট থেকে আশি সকলেই তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ আহ্লাদ আপায়ন আতিথি সেবা করে থাকেন।
হাজারো লাখো মানুষের ঢল নামে কি গ্রাম কি শহর এর মেলায়। রকমারি খাবার দাবার ভূরিভোজের আয়োজনে আর হাজারো বিকিনির সম্ভার নিয়ে বিক্রেতারা ঢালি সাজিয়ে বসেন, খেলনা,দোলনা, ঝোলনা,চরকি, ইন্দ্রজাল, কতোই না শিক্ষা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে উদ্যোক্তারা। নবীন প্রবীণ প্রতিভাবান শিল্পী কলাকুশলী কবি সাহিত্যিক শিক্ষাবিদ সমাজকর্মী গল্প কার ছড়া কার প্রাবন্ধিক অভিনেত্রী ও অভিনেত্রী আধিকারিক বর্গ জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শিল্পপতি ও উদ্যোগপতি সরকারি বে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সকলেই ভিড় জমান প্রানের মিলন মেলায় পরিণত হতে।
ঠিক তেমনি ভাবে দেখতে দেখতে অষ্টম বর্ষ পদার্পণ করতে চলেছে হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর ব্লক ও থানা, বিধানসভার অন্তর্গত গড়ভবানীপুরে রায় বাঘিনী রাণী ভবশঙ্করী স্মৃতি মেলা। ছাব্বিশ ডিসেম্বর থেকে একত্রিশ ডিসেম্বর ছয় দিন ধরে,রায় বাঘিনী রাণী ভবশঙ্করী স্মৃতি রক্ষা সমিতির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হবে গড়ভবানীপুর রায় বাঘিনী রাণী ভবশঙ্করী স্মৃতি পর্যটন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে।
এলাকার আপামর জনসাধারণের উপস্থিতিতে নানান ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিচিত্রানুষ্ঠান প্রতিযোগিতা আমন্ত্রণ মূলক অনুষ্ঠান প্রদর্শনী পুস্তক প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন সমিতির সভাপতি তথা উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার বিধায়ক সমীর কুমার পাঁজা। সমিতির সম্পাদক সুখেন্দু চন্দ্র ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় থাকবেন দেবব্রত চক্রবর্তী।
এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতায় থাকছেন জনাব মিরাজ মল্লিক, অসীম চক্রবর্তী, মানবেন্দ্র করাতি, অরুনাভ পল্যে সহ আরো অনেকে। মেলার আকর্ষণ মঞ্চ ও মণ্ডপ থিম দ্বিশতবর্ষে বিদ্যাসাগর , রক্ষী পরিবেষ্টিত দুর্গা দ্বারা, মিউজিয়াম বাস, ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী, মডেলে বিদ্যাসাগর,বনসাই,দারুভাষ্কর্য, মাটির মডেল,বিঞ্জান মডেল, আরো কত কিছু। মেলা প্রাঙ্গণে আসা যাবে হাওড়া, আমতা, বাগনান, স্টেশন থেকে বাসে ও ট্রাকের বলে জানালেন মেলা প্রেমী ছাত্রী সিরাজাম মনিরা। দীর্ঘ আট বছর ধরে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে মা মাটি মানুষের সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গর পরামর্শ ও সহযোগিতায় জোরকদমে চলেছে নির্মাণ ও সংস্কার, পুনর্গঠনের উদ্যোগ বলে জানান আরো এক শিক্ষার্থী সেখ রেজাউল ওয়াহেদ মহম্মদ মনিরুল হক।জরী শিল্পী আম্বিয়া বেগম বলেন ইতিহাসের পুনোরুদ্ধার, শিকড়ের সন্ধান,লোকায়ত গ
গ্রামীন শিল্প সংস্কৃতির ঐতিহ্য মণ্ডিত মেলা দেশ বিদেশের বহু মানুষ মেলার কটা দিন ধরে সমাগম ঘটে এছাড়াও সারা বছর জুড়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অগনিত শিক্ষা ও সংস্কৃতি প্রেমী ছাত্রী ছাত্র শিক্ষার্থী গবেষক কবি সাহিত্যিক কলাকুশলী শিল্পী লেখক লেখিকা আসেন গড়ভবানীপুরের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সাক্ষী থাকতে,

