কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা,,,
,
রাজ্য জনতা দল ইউনাইটেডের ডাকে, কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার গারুলিয়া পৌরসভা মোড়ে, শান্তি সংহতি পদযাত্রা ও সভায় জনতার ঢল নামে বলে সূত্রে জানা যায়।
রাজ্যের অন্যতম শিল্পাঞ্চল ব্যারাকপুর এলাকায় সচল রাখতে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক ও শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের জীবন যাপন জীবিকার কথা বিবেচনা করে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলকে পুনরুজ্জিবনে,
বিহারের ন্যায় ,,,,মদ ,, হিংসা, বিদ্বেষ,,,,বঞ্চনা,,,, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে,,, সার্বিক নিরাপত্তা,,,, দলতন্ত্রের পরবর্তীতে প্রকৃত গণতন্ত্র রক্ষা,,সবার হাতে কাজ চাই,,, ধর্মীয় বিভাজন নয় ,
চাই ঐক্যমত পোষণ করে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ব্যবস্থায় গণতন্ত্র রক্ষা,,
ধর্মীয় বিভেদ বিচ্ছেদ ঘটিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলতে এগিয়ে চলেছে জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা নেত্রী কর্মী সমর্থক নেতৃত্ব রাজ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করে এগিয়ে চলেছে ,
রাজ্যে জনতা দল ইউনাইটেডকে শক্তি শালী বিকল্প দল হিসেবে দেশের দশের সকলের জন্য সকলকে নিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন সংগ্রাম লড়াই চালিয়ে যেতে আপামর জনসাধারণের একান্ত সহযোগিতা সাহায্যে ও পরামর্শ আহ্বান করেন রাজ্য জনতা দল ইউনাইটেডের রাজ্য সভাপতি অশোক দাস।
এদিনের শান্তি সংহতি পদযাত্রা ও সভায় জনতার ঢল নামে ও জনতা দল ইউনাইটেডের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সহ জেলার নেতা নেত্রী নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন ও পর্যায়ক্রমে তথ্য সহ বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন এছাড়াও জনতা দল ইউনাইটেডের হাজার হাজার কর্মী সমর্থক নেতৃত্ব শান্তি সংহতি পদযাত্রা ও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
রাজ্য জনতা দল ইউনাইটেডের সভাপতি অশোক দাস বলেন আমরা কেন্দ্রের এনডিএ জোট সরকারের থাকলেও রাজ্যে রাজ্যে আমরা আমাদের মতো করে জনতা দল ইউনাইটেডকে শক্তি শালী বিকল্প হিসেবে দেশের আপামর জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এগিয়ে যেতে চাই,
এজন্য আপামর জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করছি। রাজ্যে উন্নয়ন ও কল্যাণের নামে স্বজনপোষণ, দলতন্ত্র, বিভাজন, নিরাপত্তা হীনতায় দিবারাত্রি রাজ্যের আপামর জনসাধারণ, রাজ্যে উন্নয়ন ও কল্যাণ মানে দিবারাত্রি তোলাবাজি, খুন খারাপি, লুটতরাজ, ধর্ষণ , যৌন হয়রানি , শারীরিক নির্যাতন, মানসিক নির্যাতন, বিরোধী দলের নেতা নেত্রী কর্মী সমর্থক নেতৃত্ব ও বিরোধী আপামর জনসাধারণকে জঘন্য মিথ্যাচার করে,
মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ,জ্বদকরা, ব্যাক্তি সর্থ চরিতার্থ করতে, গ্রেফতার করে,পুলিশ প্রশাসনকে দলদাশে পরিনত করে যে কোন ধরনের ভোটে বিরোধী দলের রাজনৈতিক কার্যালয় ও প্রতিনিধিদের সাথে বিরুপ প্রভাব বিস্তার করে হিংসা বিদ্বেষ বঞ্চনা ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্বাচন কে প্রহশনে পরিনত করে বিরোধীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে না দেওয়া প্রত্যাহার করা, গণনা কেন্দ্রে কারচুপি করা,
দলবদল করে লোভ ভয় দেখিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে তৎপর রাজ্যের শাষক দল । তাই জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা নেত্রী কর্মী সমর্থক নেতৃত্ব আপামর জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এগিয়ে চলেছে।


