তীব্র বেতন বৈষম্য, সীমাহীন বঞ্চনা ও বিমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদে আজ প্রায় দীর্ঘ নয় বছর ধরে প্রথমে আবেদন-নিবেদন,
তারপর রাস্তায় নেমে গণ- আন্দোলন সহযোগে কখনো একা কখনো অন্যান্য ভাতৃপ্রতিম সংগঠন গুলির সঙ্গে জোট বেঁধে তাঁদের ন্যায্য দাবি সম্পর্কে সরকারকে বোঝাবার চেষ্টা করেছেন শিক্ষাবন্ধু যৌথ মঞ্চ।
কিন্তু দুঃখের বিষয় একটিবারের জন্যেও কর্ণপাত করেননি মুখ্যমন্ত্রী।
শিক্ষাগত যোগ্যতা এম. এ. বেতন মাত্র সাত হাজার (7000/-) টাকা !
পৃথিবীর ইতিহাসে এ এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত। দুর্মূল্যের বাজারে এই সামান্য অর্থে সন্তান-সন্ততি সহ সংসার প্রতিপালন করতে না পেরে শিক্ষাবন্ধু যৌথ মঞ্চ ছুটে গেছেন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে।
তুলে ধরেছেন তাদের জীবন- যন্ত্রণার কথা। তাই তাঁদের যন্ত্রণার অংশীদার হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠান রাজ্যের বিশিষ্টজনেরা।
চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন শঙ্খ ঘোষ, অশোক গাঙ্গুলি, কৌশিক সেন, বোলান গঙ্গোপাধ্যায়, মীরাতুন নাহার, অনীক দত্ত, অম্বিকেশ মহাপাত্র, সমীর আইচ, বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়, পল্লব কীর্তনীয়া, রঞ্জিত শূর, শাশ্বতী ঘোষ, পার্থসারথি রায় (বিজ্ঞানী) তুষার চক্রবর্তী (বিজ্ঞানী) প্রসূন আচার্য (সাংবাদিক) প্রভৃতি ব্যক্তিবর্গ।
কিন্তু বিশ্ববরেণ্য শঙ্খ ঘোষদের দেওয়া চিঠি তাচ্ছিল্য করে রাজ্যের সরকার তাঁর নিজের জাত চিনিয়েছেন রাজ্যবাসীকে।







