এজেন্টদের মাধ্যমে কয়েকশো কোটি টাকা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়ে ঝাঁপ বন্ধ হয়ে যায় রোজভ্যালির।
এই প্রতারণা কাণ্ডে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি এবং সিবিআই। মালদায় রোজভ্যালির কীভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল তা জানিয়ে ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে চিঠি পাঠিয়ে অভিযোগ জানান মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী।
২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে রোজভ্যালির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী।
তার কয়েক মাসের পরেই তিনি ফের চিঠি পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জানান, রোজভ্যালি সম্পর্কে তাঁর কাছে ভুল তথ্য এসেছিল।
সেই কারণে আগের চিঠি প্রত্যাহার করে নিতে চান। এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েও কেন তা প্রত্যাহার করে নিলেন তিনি।
এক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে রোজভ্যালির গোপন আঁতাত হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরীকে তলব করে ইডি।
সেই মতো আজ ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সেসে ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী ।
