ওঁদের কাছে শিশু দিবসের আলাদা করে গুরুত্ব রাখে না।
ওঁদের কাছে বছরের প্রতিটি দিনই শিশু দিবস। নিজেদের খরচের টাকা অল্প অল্প করে বাঁচিয়ে শিশুদের জন্য বছর ভর কিছু করে থাকেন ওঁরা।
শিশু দিবসকে একটু অন্য রকমভাবে পালন করল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।
হবিবপুরের একটি প্রত্যন্ত এলকার শিশুদের নিয়ে একটা দিন কাটান সদস্য।
পেটপুরে শিশুদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়। ১৬০ জন শিশুকে বসিয়ে খাওয়ানো হয়।
হাজির ছিলেন হবিবপুর থানার আইসি পূর্ণেন্দু মুখার্জি। পাশাপাশি শিশুদিবস পালনের মধ্যে দিয়ে প্রতিটি অভিভাবককে মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে ছোটরা কোনো অবহেলার পাত্র নয়।
এদের স্বাস্থ্য, শিক্ষার দিকে বেশি করে দৃষ্টি দিতে হবে। শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য অনুকুল পরিবেশ দিতে হবে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় আজও বিভিন্ন এলাকাতে বহু শিশুর শৈশব হারিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিনিয়ত জীবনযুদ্ধে তারা ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। কঠোর পরিশ্রম করে দুমুটো অন্ন জোগাড় করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
আবার দুষ্ট চক্রের হাতে পড়ে অনেক শিশু পাচার হয়েও যাচ্ছে। সংস্থার সদস্যদের মধ্যে অমৃত হালদার, ধনঞ্জয় ঘোষ, তারাশঙ্কর রায়রা বলেন, এইভাবে আমাদের দেশে অকালে কত শিশুকে পৃথিবীর বুক থেকে ঝরে যেতে হচ্ছে।
অশুভ শক্তি থাকবে, চিরদিন ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত শুভ শক্তিরই জয় হয়।
তাই শিশুকে শিশুর বাসযোগ্য করে তোলার জন্য ব্যক্তিগত ও সরকারি উভয়েরই যৌথভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
প্রতিটি শিশুকে সুস্থভাবে বাঁচার আশ্বাস দিতে হবে।
