ক্রীড়ায় চাঁদা, পেকমিশনের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব সারা বাংলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য কাউন্সিলের অধিবেশনে।
সারা বাংলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কাউন্সিলের অধিবেশন অতুল চন্দ্র মার্কেটের ননী ভট্টাচার্য ভবনে অনুষ্ঠিত হলো।
11 নভেম্বর অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনের পতকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে উদবোধন করেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক সুধির রঞ্জন মিশ্র ।
সম্মেলনে সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সুদীপ নারায়ণ গোস্বামী ও রাজ্য সভাপতি সুবল সামন্ত উপস্থিত রাজ্য সরকারের শিক্ষক বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হন। এই অনুষ্ঠানে সংগঠনের শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন ।
এদিনের অধিবেশনে সংগঠনের আগামী দিনের কর্মসূচি স্হির হয় ।
অধিবেশনে পে কমিশনে শিক্ষক দের সঙ্গে সরকারের প্রবঞ্চনা ও সঠিক ফিটম্যান্ট ফ্যাক্টর না দেওয়ায় রাজ্য সরকারের সমোলোচন করা হয় ।
এছাড়াও এবছর শিশু ক্রীড়ার খেলা য় যৎসামান্য টাকা প্রদান করার জন্য রাজ্য সরকারের চরম সমোলোচন করা হয় ।
সারা বাংলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য সম্পাদক সুদীপ নারায়ন গোস্বামী জানান গোটা রাজ্যে জুরে রাজ্য সরকার শিশু ক্রীড়ার জন্য যে অর্থ প্রদান করেছে তাতে সেই টাকাতে এই খেলা সম্ভব নয় ।
ফলে মালদা সহ গোটা রাজ্যে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শিক্ষক দের চাঁদা দিতে হচ্ছে ।এই চাঁদা না দিলে শিশু ক্রীড়ার খেলা সম্ভব হবে না ।
ক্লাব গুলিতে অকারণে 2 লক্ষ্য টাকা প্রদান করা হলেও শিশু ক্রীড়ার খেলা য় সরকারের টাকা জোটে না ।"
রাজ্য সভাপতি সুলতান সামন্ত জানান শিক্ষক দের স্বার্থে এই সংগঠন সবসময় কাজ করে ।
রাজ্য সরকার পেকমিশনের নামে শিক্ষক দের বঞ্চনা করছে।
শিক্ষক দের বিরুদ্ধে অপ্রীতিকর বক্তব্য দিচ্ছেন ।অথচ যারা সিনিয়ার টিচার তাদের বেতন বৃদ্ধিতে বৈষম্য করছে । আমাদের চার বছরের ডি এ মেরে দিয়েছে ।আগামী দিনে আমাদের সংগঠন এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে শিক্ষক দের সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে ।"
এদিন শিক্ষক দের এই অধিবেশনে প্রায় শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন । সারা বাংলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মালদা জেলা কমিটির সম্পাদক সুধির রঞ্জন মিশ্র জানান ," এই মুহূর্তে নানা দিক দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক দের প্রতি নানা আঘাত আসছে।
আমাদের সংগঠন সংঘবদ্ধ ভাবে লড়াই করতে হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে ঝাপিয়ে পড়ার শপথ নিতে হবে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে গর্জে উঠে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার সিদ্ধান্ত এই কনভেনশনে নেওয়া হয়েছে । তাছাড়া ক্রীড়া উৎসবে শিক্ষক দের শ্রম দিলেও কোনো চাঁদা দেওয়া উচিত নয় ।
অথচ মালদা জেলার বিভিন্ন চক্রে শিশু ক্রীড়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে ।
বিদ্যালয় ফান্ডের কম্পোজিট গ্রান্ট থেকে 1500/2000 টাকা জোড় করে সংগ্রহ করা হচ্ছে ।এর বিরুদ্ধে শিক্ষক দের যৌথভাবে আন্দলন করার জন্য আহ্বান করছি ।"

