বাউড়িয়া, হাওড়া।
পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া,হুগলি, দুই মেদিনীপুর সহ পাশাপাশি আরও কয়েকটি জেলায় কয়েক লাখ পরিবার এই শিল্পের উপর নির্ভরশীল।
এই নির্ভরশীলতার সংখা কত তার সঠিক হিসেব আমার জানা নেই।এদের দৈনিক (১২ ঘন্টায়) আয় এখন 150 - 250 টাকা,তাও উপার্জন করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে ,
জরীর কাজ হারা হাজার হাজার মানুষ আজ কাজের জন্য বাংলা ছেড়ে বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ।
অথচ এই বাংলায় আজ পর্যন্ত কোনো সরকার এই শিল্পের প্রতি নজর রাখেন নি!
এই কুটির শিল্পের সঙ্গে জড়িত বেশির ভাগ মুসলিম সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা।
বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে জিএসটি-মিএসটি ইত্যাদির সাথে পাল্লা দিতে না পেরে শ্রমিকরা আজ সব্বাই দিশেহারা।
প্রতিটি সরকারই তার আমলে নিজেদের উন্নয়নের ফানুস ফুলিয়ে বেড়িয়েছে। অথচ এই শ্রমিক পরিবারের উন্নয়ন অধরাই রয়ে গেছে! উন্নয়ন কি জিনিস এই শ্রমিকদের পরিবার তা আজও চোখে দেখতে পেল না।
জরী শ্রমিকরা আজ নিজেদের সংসার ঠিকমতো চালাতে পারছে না। স্বাস্থ্য সাথী থেকেও বাদ তারা।শিক্ষায় দীক্ষায় পিছিয়ে রয়েছে।
এরা নিজেরা অসংগঠিত। যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তাদের মিটিং মিছিলের ভিড়ে শুধু এদের মাথা দেখা যায়।
তারপর আর এদের পরিবারের খোঁজ নেওয়ার সময় থাকে না নেতা মন্ত্রী বাবুদের ।
হায়রে মিডিয়া ,নিপাত যাক এদের ফ্লাশ-বাল্বের আলো!এদের দুরদশার কথা কোনো মিডিয়ার মাধ্যমে দৃষ্টিপাত হল না কখনো !
#পশ্চিমবঙ্গের_মাননীয়া_মুখ্যমন্ত্রীর_নিকট_সবিনয়ে_নিবেদন, আপনার মমতাময়ী মানবিক পরশ দিয়া জরী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্টের কথা বিবেচনা করিয়া যথোপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণের আশ্বাস ও দ্রুত সুরাহা করিবেন এই কামনা করি।

