হরিশ্চন্দ্রপুর কালি পুকুর ঘাটে ও ব্লক পুকুর ঘাটে ছট উৎসব পালন করবে কয়েকশো পরিবার ভক্ত | শনিবার সকাল থেকেই চলছে ঘাট পরিষ্কার করার কাজ, বিকেলের মধ্যে সেজে উঠবে কালি পুকুর ও ব্লক পুকুর ঘাট|
ছট পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন গ্রাম থেকে ভক্তরা ডালা সাজিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর কালি পুকুর ও ব্লক পুকুর ঘাটে নামবেন, শনিবার বিকেলে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত তারা আলোচনা করবেন |
এরপর সারা রাত পেরিয়ে যাবার পর রবিবার ভোরে তারা আবার ডালা সাজিয়ে কালি পুকুর ও ব্লক পুকুর ঘাটে নামবেন সূর্য প্রণাম করতে |
স্থানীয় সঞ্জীব গুপ্তা, প্রবীণ কেডিয়ারা জানান আমাদের কালিপুর ঘাটে বিভিন্ন গ্রাম থেকে ভক্তরা ছট পুজো করতে আছেন, প্রচুর ভিড় ও হয়| আমাদের কালী পুকুর ঘাট খুব ছোট, ঘাটের চারপাশে বাড়িঘর হয়ে যাবার ফলে ছট পুজো করতে অনেক অসুবিধা হয়, প্রশাসন কে আমরা অনুরোধ করবো বিভিন্ন জায়গায় গার্ডওয়াল দিয়ে সহযোগিতা করেন, আমরা যেন সুষ্ঠুভাবে আগামীতে পুজো করতে পারি সেটা প্রশাসনের কাছে, সরকারের কাছে দাবী রাখছি|
এখানে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়, কালি পুকুরঘাট এবং ব্লক পুকুর ঘাট মিলে পাঁচশোরও বেশি পরিবার ছট পুজো করে এবং ভারী বৃষ্টির ফলে প্রচুর জল বেড়ে গেছে, এই জল বেড়ে যাওয়ার কারণে আমরা অনেক দুশ্চিন্তায় আছি, ছোট ছোট বাচ্চা এবং মায়েরা উপবাস করে জলে নামে, কোনরকম যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের কাছে আমরা দাবী রাখছি যেন আমাদেরকে উপযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার দিয়ে প্রশাসন যেন ব্যবস্থা করুক, যাতে কোন রকম দুর্ঘটনা না ঘটে |
হরিশ্চন্দ্রপুর 1 পঞ্চায়েত মেম্বার বাবন মল্লিক জানান জোর গতিতে কাজ শুরু হয়ে গেছে, ভক্তদের যাতে কোনরকম অসুবিধার সম্মুখীন না হতে হয় তার জন্য ঘাট পরিষ্কার থেকে শুরু করে, সব জায়গায় লাইট লাগানো, মাইকিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছে কোন ছোট বাচ্চারা জলের কাছে যাতে না যায় |
হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান হরিশ্চন্দ্রপুর 1 ও 2 ব্লকের যতগুলো ঘাট রয়েছে সবগুলো ঘাটে সিভিক ভলেন্টিয়ার দেওয়া হবে |
