প্রতিশ্রুতি মতো প্রেম। পরে বিয়েতে অমত।
এবং সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য উল্টে চাপ প্রেমিকের। অবসাদে গায়ে আগুন দিয়ে অগ্নদগ্ধ হয়ে মৃত্যু নাবালিকা প্রেমিকার।
এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ভূতনি থানা এলাকায়।
ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্ত প্রেমিক।
ফোন বন্ধ করে রেখেছে সে। পুলিশ তাকে খুঁজছে। জানা গেছে, আত্মঘাতী প্রেমিকার নাম চুমকি মন্ডল(১৭)। ভূতনি থানার হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাকডোকরা গ্রামে বাড়ি তার।
সে নন্দীটোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। বাবা সুকুমার মন্ডল পেশায় মজুর। ৪ ভাই-বোনের মধ্যে সে ছিল মেজ।
সপ্তাহ খানেক আগে গায়ে কোরেসিন তেল ঢেলে আগুন দেয় সে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে ভূতনি হাসপাতাল, পরে সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হলে মালদা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সময় বাবা মজুরের কাজে রাঁচিতে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি ছুটে আসেন। বাবা সুকুমার মন্ডল অভিযোগ করে বলেন,‘আমাদের আগে কিছুই বলে নি মেয়ে।
হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে তার প্রেমিকের ব্যাপারে বলে। সে জানায়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুল বুঝিয়ে প্রেম করে ছেলেটি। ভূতনির বাইরে ওর বাড়ি। তারপর পরে বিয়ে করতে অস্বীকার করে সে। তারপর থেকে অবসাদে ভুগছিল মেয়ে।
শেষে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় মেয়ে। আমরা প্রেমিকের উচিৎ শাস্তি চাই।’
