ওঁরা কেউ কলেজে পড়ে, কেউবা সদ্য কলেজ পাশ করেছেন।
কেউবা চাকরির খোঁজে।
নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টার পাশাপাশি সামাজিক কাজও করে চলেছেন।
ওঁরা অনুষ্ঠান বাড়ির উদ্বৃত্ত খাবার সংগ্রহ করে বেড়ান।
তারপর সেই খাবারের গুণগত মান দেখে সাধারণ গরিব মানুষদের মধ্যে বিলি করে বেড়ান।
দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তাঁরা এ কাজ করে আসছেন।
এরকমই সোমবার গভীর রাতে এক অনুষ্ঠান বাড়ি তাঁদের কাছে ফোন আসে।
কিন্তু গভীর রাতে তাঁরা যেতে পারেন নি সেখানে। মঙ্গলবার সকাল হতেই ছুটেছেন সেই অনুষ্ঠান বাড়িতে।
তারপর সেই খাবার সংগ্রহ করে সেই খাবার বিলি করার পক্ষে কতটা যোগ্য পরীক্ষা করে তারপর বিলির কাজে বের হন।
এদিন তাঁরা ইংলিশবাজার থানার মা জহুরা মায়ের মন্দির সংলগ্ন এলাকায় খাবার বিলি করে আসেন।
ভাত, ডাল, মুড়িঘন্ট গ্রামের মানুষদের বিলি করে আসেন।
সদস্যদের মধ্যে স্নেহা চৌধুরি, সিদ্ধান্ত মিস্ত্রিরা বলেন,‘আমরা অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে খাবার সংগ্রহ করে বেড়াই।
আমাদের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনেরা আমাদের ফোন করে ডাকেন।
সেখান থেকে খাবাব সংগ্রহ করে আমরা নিজেরা প্রথমে খেয়ে পরীক্ষা করি।
তারপর স্টেশন কিংবা কোনও প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে হাজির হই, এবং সেখানে বিলি করি।’
তাঁরা আরও বলেন,‘এখনও অনেক গ্রাম বা এলাকা আছে, যেখানকার মানুষেরা দু’বেলা পেট পুরে খেতে পান না।
ফলে অপুষ্টিতে ভোগে। আমরা সেই সব গ্রামে গিয়ে হাজির হই।’

