কুকুরের দাপটে রীতিমতো আতঙ্কিত মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী থেকে শুরু করে পরিজনেরা। মূলত, খাবার সময়ে কুকুরের দাপটে নাজেহাল অবস্থা।
রোগী ও পরিজনদের অভিযোগ, হাসপাতাল জুড়ে কুকুরের দাপট চললেও তা সামাল দিতে নির্বিকার কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কুকুরগুলিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে পুরসভাকে জানান হয়েছিল। কিন্তু কাজ হয়নি।
মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর ভিড় মারাত্মক। প্রতিটি ওয়ার্ডেই নির্দিষ্ট বেডের চেয়ে দ্বিগুণ রোগী ভর্তি আছে। মেল মেডিকেল ১ ও ২ এবং ফিমেল মেডিকেলে রোগীর ভিড় বেশি।
মেঝেতেও রোগী রেখে চিকিৎসা চলছে ওই ওয়ার্ডগুলোতে। ওয়ার্ডগুলিতে একেই রোগীদের ভিড় তার উপর কুকুরের উৎপাতে জেরবার রোগীরা।
এক রোগী বলেন, দিনভরই কুকুর ওয়ার্ডে ঘোরাফেরা করছে। তবে যখন ওয়ার্ডে খাবার আসে তখন কুকুরের দাপাদাপি বেড়ে যায়।
বেডে বসে খাবার খাওয়া রীতিমতো মুশকিল হয়ে পড়ে। খাবারের সময় রোজ কুকুর তাড়াতে হয়।
এদিকে ওয়ার্ডে ঢুকে খাবার খেলেও ওয়ার্ডের বাইরে থাকা ডাস্টবিনেও হানা দেয় কুকুরের দল। উল্টে ফেলে সেখানে থাকা খাবারের উচ্ছিষ্ট খায় কুকুর। তা ছড়িয়ে পড়ে রাস্তায়।
কেউ সামনে গেলেই রীতিমতো তেড়ে আসে কুকুর। রোগীর পরিজনরা বলেন, হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষীদের কুকুর তাড়াতে বললে তারা তাড়াতে চান না।
কিন্তু পরিজনদের ওয়ার্ড থেকে বের করতে ব্যস্ত তারা। নিরাপত্তারক্ষীরা অবশ্য বলেন, আমরা সবসময়ই চোখের সামনে কুকুর ঘুরতে দেখলে বাইরে বের করে দিই।
হাসপাতালের সুপার অমিত দাঁ বলেন, ওয়ার্ড থেকে কুকুরগুলিকে ধরে নিয়ে অন্যত্র ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে আমরা পুরসভাকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু পরিকাঠামো নেই বলে পুরসভা আর কিছু করেনি।
এখন আমরা বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করছি যাতে কুকুরগুলোকে ধরে অন্যত্র নিয়ে ছেড়ে দেওয়া যায়।

