অনলাইন শপিং করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছে অনেক গ্রাহক৷
এবার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর পর শিকার হলেন মালদার আরো এক গ্রাহক নাম অরুণ অধিকারী ।
বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর 1 নং ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর জিপির হাসপাতাল পাড়ায়। আজ তিনি মালদা সাইবার ক্রাইম অফিসে গ্রাহক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন ।
তিনি জানান, " 24 অক্টোবর একটি অনলাইন শপিং সাইট থেকে একটি নামিদামি কোম্পানির মোবাইল হেড ফোন অর্ডার করেছিলেন ।
সেই হেডফোনটি ডেলিভারি ডেট ছিল 1 নভেম্বর, আজ 2 নভেম্বর ক্লাব ফ্যাক্টরি অনলাইন কোম্পানি কাস্টমার কেয়ার কে ফোন করে জিজ্ঞেস করেন হেডফোন ডেলিভারি ডেট ছিল এখনো হেডফোন আসেনি, কাস্টমার কেয়ার অরুন অধিকারী কে জানায় আপনার অর্ডারটি ক্যান্সেল হয়ে গেছে, কিছুক্ষণ পর কোম্পানি থেকে ফোন আসে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ।
গ্রাহকের কাছ থেকে ওটিপি নাম্বার চাই। টাকা ফেরতের আশায় সে ওটিপি নাম্বার দিয়ে দেই। ওটিপি নাম্বার পেতেই কম্পানি তার ব্যাংক থেকে 1 লক্ষ টাকা কেটে নেই।
ব্যাংক থেকে মেসেজ পেতেই তার চক্ষু চড়ক গাছে ওঠে।
প্রতারক অরুণ অধিকারী জানান, সে একজন দিনমজুর। তারা নুন আনতে পান্তা ফুরায়' অবস্থা। খুব পরিশ্রম করে লক্ষাধিক টাকার জমিয়েছিলেন ব্যাংকে।
এদিন অনলাইন অফার দেখে নিজের লোভ সামলাতে না পেরে একটি হেডফোনে অর্ডার করেন। অর্ডার করতে সে প্রতারণার শিকার হন।
এত টাকা কিভাবে আবার মেহনত পরিশ্রম করে যোগাবেন তাই তার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
এদিন হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ করতে গেলে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান এটা একটা সাইবার ক্রাইম।
তাকে মালদার সাইবার ক্রাইম অফিসে অভিযোগ দায়ের করতে বলেন।
অভিযোগ পেতেই মালদার সাইবারক্রাইমের প্রশাসনিক আধিকারিকরা তদন্তে নেমেছে।
