মালদাঃ
গুজরাটে কাজ করতে গিয়ে জীবন দিতে হল এক যুবককে। কয়েকমাস আগে গুজরাট কাজ করতে গিয়েছিল পাঁচজন যুবক। তারা হলেন, রবিউল ইসলাম, রাজকুমার নরেশ, শাকিল আনসারী রহমান, সুমন রফিক ও নুরজামাল। এদের বাড়ি মালদা জেলার গাজলে।
গুজরাট পুলিশ সূত্রে জানা যায় ৯ অক্টোবর নুরজামাল (৩৩) এর পচাগলা দেহ আমদাবাদ থেকে উদ্ধার হয়েছে, গুজরাট পুলিশ তদন্ত করার পর জানতে পারে পাঁচজন যুবক একসাথে গুজরাট আমেদাবাদ কাজ করতে এসেছিল, জানা যায় ৫০ হাজার টাকার জন্য খুন করা হয়েছে নুরজামালকে।
সেখানেই মেরে পালিয়ে যায় ওই চারজন যুবক। নুরজামালের মোবাইল নিয়ে পালিয়ে চলে আসে ওই চার জন দুষ্কৃতী।
তারপরে মালদা জেলার হরিশচন্দ্রপুরেএ কুমেদপুরে নতুন সিম লাগায় নুরজামালের ফোনে। নুরজামালের ফোন ট্র্যাপ করে গুজরাট পুলিশ লোকেশন দেখে জানতে পারে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অবস্থিত কুমেদপুরে লোকেশন পাওয়া যায়।
তারপরে সঙ্গে সঙ্গে গুজরাট পুলিশ হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সাথে যোগাযোগ করে, তারপরে হরিশ্চন্দ্রপুরে অবস্থিত কুমেদপুর এলাকা থেকে সেই চার জন যুবককে আটক করে করে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা পুলিশ।
তারপরে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ গুজরাট পুলিশের হাতে তুলে দেয় ওই চারজন যুবককে।
হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ সঞ্জয় কুমার দাস জানান, আজ চারজনকে চাঁচল মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছ। গুজরাট পুলিশ তাদেরকে ট্রাজঞ্জিট রিমাণ্ডে সঙ্গে করে নিয়ে চলে যাবে আমেদাবাদ।



