উঃ দিনাজপুর।
নিজের ভালোবাসাকে সারাজীবনের জন্য অপন করে নিয়ে,সুখের সংসার গড়ার লক্ষ্য নিয়ে প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছে দুই সন্তানের মা।
এমনি ঘটনা জানাজানি হতেই আলোড়ন ছড়িয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ভান্ডার গ্রাম পঞ্চায়েতের তিলগাও এলাকায়।
কিন্তু প্রেমিকের বাড়ির লোকেদের দাবি ,তাদের ছেলে শুভেন্দু রায় বিগত তিন মাস যাবদ তার কোন হদিশ নেই।
ছেলের নিখোঁজের অভিযোগ কালিয়াগঞ্জ থানায় জানানো হয়েছে।
সমস্যা সমাধানে গ্রাম্য শালিশী বসাবেন শুভেন্দুর বাবা অনিমেশ রায় ।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।খবর দেওয়া হয় কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশকেও।
উল্লেখ্য কালিয়াগঞ্জ থানার কাকড় সিংহের বাসিন্দা ধরমেন্দ্র রাজবংশীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল কৃষ্ণা রাজবংশীর।
তাদের দুই পুত্র সন্তান ও রয়েছে।
বিগত কয়েক মাস আগে টেলিফোনে মিস কল থেকে কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরী গড়ে ওঠে তিলগাঁ বাসিন্দা শুভেন্দু রায়ের।
শুভেন্দু পেশায় মোবাইলের দোকানদার। যুবতির অভিযোগ বিয়ে করার প্রতুশ্রিতি দিয়ে তাদের মধ্য শারিরিক সম্পর্ক পর্যন্ত হয়েছে।
বিবাহ বহিভূর্ত সম্পর্কের কথা জানতে পারেন বিবাহিত যুবতীর স্বামী ধর্মেন্দ্র রাজবংশী ।
এই সম্পর্কের কথা জানার পরই তাদের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়।
স্বামী স্ত্রীর বিবাদের কথা শুভেন্দুকে জানালে তাকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলেন।
ধর্মেন্দ্রের অত্যাচার বেড়ে যাওয়ায় আজ সকালে শুভেন্দুর বাড়িতে হাজির হন কৃষ্ণা।শুভেন্দুর পরিবার তাকে বাড়িতেই ঢুকতেই দেয় নি।
যতক্ষন না তার ভালোবাসা শুভেন্দুকে পাচ্ছেন না ততক্ষন যাবেন না।
তাই বাধ্য হয়েই সে বাড়ির গেটের সামনে বসে পড়ে ধর্নায়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
শুভেন্দুর বাবার অভিযোগ,চরিত্রহীন মহিলা যে কোন সময় যাকে তাকে স্বামী দাবি করছে।


