মালদা ঃঃঃঃ
গঙ্গা ও ভাগীরথীর মিলনস্হলে বাঙ্গীটোলা ও খাসখোল গ্রামের মাঝে ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী পাগলী কালীর পূজা সারম্বরে পূজিত হয় ।
কালীপূজার পর দিন হিন্দু ও মুসলিম ধর্মের নানা আচার ও নিয়ম নিয়ে এই পাগলী কালীর তৈরী হয়েছে নিজস্ব রীতিনীতি ।
আর তাই এই পূজা কে ঘিরে শারদীয়ার শেষ উৎসবে এলাকার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলার রূপ পায়।
পাগলীর আচার ও রীতিনীতি বিশ্লষণ করলে দেখা যায় হিন্দু ও মুসলিম ধর্মের নানা উপাচারে গঠিত ।উপাচার গুলি হলো ।
১) এই পূজা কোন মূর্তি উঠে না মূর্তি ছাড়াই পূজা হয়।
২)কালী পূজার দিন রাতে নয় পর দিন সকালে পূজা হয় ।
৩) ও আড়কাঠ ছাড়াই বলি হয় ।
এই তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য ছাড়াও এই কালীপুজো আরো পৃথক বেশকিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায় ।
বৈশিষ্ট্য গুলি হলো সকালে ঘটভরা, ও পূজা ।দুপুরে আড়কাঠ ছাড়াই বলি, ও বিকেলে ভোগদান , অনাদিকাল থেকে এই নিয়ম গুলি চলে এসেছে। ভিন্ন সংস্কৃতি ও ভিন্ন বিশ্বাস নিয়ে গড়ে ওঠা পাগলীর ইতিহাস ঘাঁটলেই এই ভিন্নতার কারন স্পষ্ট হয় ।


