এবি বঙ্গনিউজ,-------
নেতা কথাটি বলতে সহজ,কিন্তু এই নামের মর্যাদা সবাই রাখতে পারেন না।
নেতা তাদেরকেই বলা হবে যিনি সাধারণ মানুষের দুঃখ,কষ্ট,অভাব গুলিকে স্বেচ্ছায় দূর করবেন।
নেতা কখনও একটা বিশেষ ধর্মের হয়না,সাধারণ মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ করে না।
ইতিহাস খুললে আমরা দেখতে পাই,ভারতবর্ষ এ কিছু নেতার জন্ম হয়েছিল তার মধ্যে স্বরণীয় হয়ে আছেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম বিরল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে তিনি পরিচিত।
তাঁর রাজনৈতিক দর্শন প্রাচ্য-প্রশ্চ্যাত্য এর মেলবন্ধনের ওপর নির্মিত।
তিনিই এই দেশে প্রথম অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন আর এর সূত্রপাত করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা তে।দক্ষিণ আফ্রিকার নাটালে পৌঁছালে আব্দুল্লা শেঠ নামের এক ব্যাক্তি তাঁর দেখাশুনা করতেন,ওই সময় শেখ মেহতাব তাঁর সঙ্গে থাকতেন।
তিনি ভারতবর্ষে ফিরে আসার পর চাম্পারণ,আহমেদাবাদ,খেরাতে শ্রমিক,কৃষকদের বঞ্চনা অতিরিক্ত কর আদায় প্রভিতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন এবং সাফল্যও অর্জন করেন।
তারপরে তিনি অসহযোগ আন্দোলনের সাথে খিলাফত আন্দোলনকে যুক্ত করে হিন্দু মুসলিম ঐক্যকে ভারতের জাতীয়তাবাদের প্রেক্ষাপটে জোরদার করেন।
ক্যাবিনেট মিশন প্লান,ওয়াভেল পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে এই সবের মধ্যে ১৯৪৭ সালের ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ভাগ তিনি মন থেকে মেনে নিতে পারেন নি।
তিনি বলেছিলেন ,'সবার প্রয়োজন মেটাবার মতন যথেস্ট সম্পদ পৃথিবীর আছে, কিন্তু লোভের পূরণ করার মতন কিছু নেই। তিনি 'হিন্দ স্বরাজ' নামক পুস্তকে লিখেছেন 'আমাদের স্বদেশ প্রেম আমাকে এই শিক্ষা দেয় না যে কেবল ইংরেজ রঙ্গমঞ্চ থেকে অপসারিত হয়ে গেছে আমি জন সাধারণকে ভারতীয় রাজন্যবর্গের অত্যাচারের ও বিরোধীতা করবো।
দেশ ভক্তি বলতে আমি সমস্ত জনগণের কল্যাণ বুঝি'।তাঁর এই মহৎ বাণী গুলিকে আমাদের জীবনে পাথেয় করে চলা একান্ত কাম্য,তবেই আমাদের ভারতবর্ষ আবার উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে ।
আশা করি আমরা সবাই গসন্ধিজীর দেখানো পথে চলার চেস্টা করবো।
