মালদা ঃ
বন্যা থেকে বাঙ্গীটোলা পঞ্চানন্দপুর ও মালদা শহর বাঁচাতে রাত জেগে বাঁধ মেরামত করলেন সেচ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রবন কুমার সামন্ত
।
সারা রাত জেগে নদীতে বালির বস্তা সহ পাড় উঁচু করার চেষ্টা করে সেচ দপ্তরের কর্মীরা ।
বন্যা প্রতিরোধের পাশাপাশি রাত জেগে সমাজ বিরোধীরা যেন বাধ কেটে না দিতে পারে সেই পাহাড়াও দিয়েছেন সেচ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রবন সামন্ত ।
হাতে নাতে ধরে ফেললেন দুষ্কৃতীদের।একটি দুষ্কৃতীদের দল রাতের অন্ধকারে বাধ কাটতে চেষ্টা করছিলো ।
সেচ দপ্তরের অভিযোগের ভিত্তিতে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ 4 জনকে গ্রেফতার করেছে । সেচ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রবন কুমার জানান ,সকুল্লাপুর এলাকাটি সবচেয়ে নিচু ।তাই সেখান দিয়ে জল গোটা মালদা জেলা কে যেন ভাসিয়ে দিতে না পারে তার জন্য সেই এলাকায় 22 মিটার ধরে পাড় উঁচু করার কাজ চলছে ।
এছাড়া ও যেন লিকেজ করে গঙ্গার জল না বেরিয়ে যেতে না পারে তার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে । সেচ দপ্তরের সমস্ত কর্মচারী সারা রাত ধরে কাজ করছে ।
এখন প্রর্যন্ত সেখেনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও স্হতিশিল আছে ।"
সেচ দপ্তরের এই আপ্রাণ চেষ্টা সত্যেও কালিয়াচক 2 নম্বর ব্লকের গঙ্গা পার্শ্ববর্তী গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিতে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপ হচ্ছে।
এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে । গঙ্গা জল বেড়ে যাওয়ায় কিছু কিছু এলাকার প্রায় মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছেন। কালিয়াচক দুই নং ব্লকে র হামিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপ থাকলেও
এই মুহূর্তে বাঙ্গিটোলা অঞ্চলে সকুল্লাপুরে গঙ্গা অবস্থা ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে। সেখানে কোনো বাঁধ নেই।
ফলে সেই এলাকা দিয়ে গঙ্গার জল উঠে গোটা দুই নম্বর ব্লক সহ মালদা শহর ভাসিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সেচ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রবন কুমার সামন্ত জানান, " মোথাবাড়ি থানার ওসি সোমজিৎ মল্লিক জানান যুদ্ধ কালীন পরিস্থিতিতে সকুল্লাপুর চলছে ।
কোন দুষ্কৃতি যেন বাধ কাটতে না পারে তার জন্য পুলিশ পাহারা দিচ্ছে ।
গতকাল চার জন সন্দেহ ভাজনকে পুলিশ আটক করেছে । "


