জগাছার ভবতারিণী মন্দিরের পুজো মা নিজেই জোগাড় করে নেন




 অমিত জানা, হাওড়া:

একসময় সেখানে পাঁঠাবলি হত।বিপুল ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে হত ভোগবিতরন।কিন্তু মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ড: কালিপদ পাইন মারা যাবার পর সেখানে শুরু হল অরাজগতা।তবে বর্তমানে পাড়ার মহিলারা মিলে পুরনো ঐতিহ্য মেনেই করে চলেছেন পুজো।আজও মন্দিরে প্রাচীন রীতি মেনে হয় কালী পুজো।পাড়ার লোকেরা সবাই মিলে সহযোগিতা করেন। এই চিত্রটি হাওড়ার জগাছার সাতাশির ভবতারিণী মন্দিরের। কথিত আছে, প্রায় বহু বছর আগে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন চিকিৎসক কালিপদ পাইন।সেই সময় এই মন্দিরে নানা সমাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হত।স্বামী বিবেকানেন্দর জন্মদিনে হত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস ৭ ই চৈত্র হতো বাৎসরিক উৎসব।হত পাঁঠাবলি ও ভোগবিতরন।কালীপুজোর দিনও হত নানা অনুষ্ঠান।বহু দূরদূরান্ত থেকে ভক্তবৃন্দ আসতেন এই অনুষ্ঠানে।কিন্তু আনুমানিক 1995 সালে চিকিত্সক কালিপদ পাইন মারা যান।তিনি মন্দিরসহ তার বাড়ি ও জায়গা কারোর নামে করে যাননি।তারপর ডাক্তারবাবু মারা যাবার পর সেই মন্দিরের দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন তাঁরাও আস্তে আস্তে মন্দির ছেড়ে চলে যান। তারপর জায়গাটি ফাঁকা পড়ে থাকে।মন্দিরে শুরু হয় দুষ্কৃতীরাজ।সেখানে নানা অসামাজিক কাজ শুরু হয়।দরজা জানালা ভেঙে নিয়ে সবাই চলে যায়।এমনকী ভবতারিনী মায়ের কাপড়টি পর্যন্ত খুলে নিয়ে চলে যায় চোরেরা।মা উলঙ্গ অবস্থায় পরে থাকেন।বেশ কয়েক বছর ধরে চলে এমন অরাজগতা। বাৎসরিক পুজ চললেও নিত্য পুজো বন্ধ হয়ে যায়। তারপর ভবতারিণী মা নিজে পাড়ার এক ভক্তকে স্বপ্ন দিয়ে জানান " আমি জল পাচ্ছি না, খেতে পাচ্ছিনা।তুই আমার পুজো চালু কর।"সেই ভক্ত পাড়ার মহিলাদের কে জানালে পাড়াসুদ্ধ লোক চালু করেন পুজো।তারপর থেকে প্রতিদিনই এখানে হয় নিত্য পুজো।৭ ই চৈত্র তারপর থেকে প্রতিদিনই এখানে হয় নিত্য পুজো।সাতই চৈত্র ও দীপাবলীতে কালীপুজোর দিন হয় বড় করে পুজো।পাড়ার বয়স্কদের কথায় মা নিজেই নিজের পুজোর যোগার করে নেন।

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com
⏳ নিউজ লোড হচ্ছে...