বার্ধক্যের কারণে অনাহারে মরতে বসেছে মহিশীলার ভট্টাচার্য্য পরিবারের সদস্যরা ৷
আসানসোল পুরনিগমের অন্তর্গত ৮৫ নং ওয়ার্ড তথা মহিশীলা শিমূলতলার বাসিন্দা দীপক ভট্টাচার্য্য (৬৮)ও তার দিদি মিনতি ভট্টাচার্য্য (৭০) এবং তাদের এক মানসিক ভাবে অসুস্থ ভাইঝি অনিতা (৩৫) দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে মহিশীলার ওই অঞ্চলে বসবাস করছেন ৷
স্থানীয় সূত্রে খবর যৌবনে শারীরিক ভাবে সক্ষম থাকার সময় দীপক ভট্টাচার্য প্রাইভেট টিউশন পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন ৷
পাশাপাশি পরিবারে একই সাথে বার্ণস্ট্যাণ্ডার্ড কারখানায় কর্মরত দাদা বৌদি থাকায় সেই ভাবে অতীতের দিনগুলিতে অভাবের মুখ দেখতে হয়নি ৷
কিন্তু দাদা বৌদির গত হওয়া ও জমানো অর্থ ফুরিয়ে যাওয়ায় সাথে বয়সের ভারে কাজ্যে উদ্যম না থাকায় অভাব নেমে আসে সংসারে ৷
এখন সংসারে জীবিত তিন জনের বেঁচে থাকার উপায় বলতে প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের অনিয়মিত সহযোগিতা ৷
ফলে শারীরিক অসুস্থতায় চিকিৎসা করারও তেমন সুযোগ নেই ৷
চলাফেরার শক্তি না থাকায় সরকারি চিকিৎসালয়ে পৌঁছানোও হয়না ৷ অপুষ্টি অনাহারেই বেশিরভাগ দিন কাটে ভট্টাচার্য্য পরিবারের সদস্যদের ৷
স্থানীয় পুরপিতা শিবদাস চ্যাটার্জীকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন , বেশিরভাব আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষেরই বসবাস তার ওয়ার্ডে ৷
তাই সবার ক্ষেত্রেই বিশেষ কিছু ব্যবস্থা করা সম্ভব নয় ৷ তবে তিনি নিজে বিষয়টি জানার পর যাতে ওই পরিবারের সদস্যদের অনাহারে থাকতে না হয় তার জন্যে উপযুক্ত ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবেন ৷
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সুনন্দ চক্রবর্তী বলেন , প্রশাসন যদি সরকারি সুযোগ সুবিধা বিশেষত বার্ধক্য ভাতার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করে দেয় , তাহলে খুব ভালো হয় ৷

