প্রতিবেদক।
হাওড়া জেলার আমতা দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত চকজনার্দন গ্রাম,অমরাগড়ি বকুলতলা থেকে জয়পুর উত্তর বেড়বাঁধ কলসডিহি মহাকালীদহ যেতে পুলদুলচের বাঁধের উপর মধ্য ভাগে অবস্থিত চকজনার্দন নেতাজী সংঘ ও উত্তর সামুই পাড়া বারোয়ারীর সহ সার্বজনীন, উদ্যোগ ও সহযোগিতায় দীর্ঘ উন্নিশ বছর পূর্বে কয়েক জন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে উদ্যোগ নেয় দেবী দুর্গার আরাধনা করার।
সেই থেকে শুরু হলো দেবী দুর্গার পূজা। দেখতে দেখতে এবছর উন্নিশ তম বার্ষ পদার্পণ করতে এগিয়ে চলেছে।
পূজার কারণ পূর্বে এই চকজনার্দন গ্রামে অন্যান্য পূজা পার্বন করা হলেও দূর্গা পূজা করা হতো না কারণ ব্যায়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ এই পূজা একবার করলে তা চালিয়ে যেতে হবে তাছাড়া পার্শ্ববর্তী এলাকায় গিয়ে দূর্গা পূজার আনন্দ উপভোগ করতে হতো তার মধ্যেও পূজা শুরু হলো।
গ্রামীন চিরাচরিত রীতি নীতি ও নিয়ম মেনে দেবী দুর্গার পূজা অর্চনা ভোগ শিন্নি প্রশাদ বিতরণ করা হয় মহিলা ও পুরুষ উভয়ের মিলে মিশে একাকার হয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে চকজনার্দন উত্তর থেকে দক্ষিণ অমরাগড়ি , অমরাগড়ি গ্রাম পরিক্রমা করে দক্ষিণ সামুই পাড়ায় অবস্থিত শিতলা মনসার প্রতিষ্ঠিত পুকুরে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।
কচি কাঁচাদের ও নিয়ে মহিলাদের জন্য কিছু প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। দিন কে দিন পূজার আয়োজন বেড়েই চলেছে, প্রচার ও প্রসার লাভ ঘটছে। সুকুমার চক্রবর্তী পূজা পাঠ করেন।
ঘনশ্যামচক, দক্ষিণ অমরাগড়ি, চকজনার্দন উত্তর ও দক্ষিণ সহ কলসডিহি মহাকালীদহ গ্রামের মানুষ জন মণ্ডপে আসেন ও পূজার কয়েকটি দিন আনন্দ উপভোগ করেন বলে জানা যায়।
এই পূজা মণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, দিদি কে বলো ও কাট মানির চর্চা কারণ এলাকার তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব সভা করে বলেন যে, উলুবেড়িয়ার প্রয়াত সাংসদ আলহাজ্ব জনাব সুলতান আহমেদ এর এলাকা উন্নয়ন তহবিলের অর্থ দেওয়া হয়েছে চকজনার্দন নেতাজী সংঘকে পাঁচ লক্ষ টাকা ও চকজনার্দন সামুই পাড়ার শ্মশান চুল্লি ও অপেক্ষা গৃহ নির্মাণের জন্য প্রায় পনে দুই লক্ষ টাকা ব্যয়ে, এছাড়াও করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে বৃহৎ পি এইচ ই গ্রামটি সাজিয়ে তোলা হবে অমরাগড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচটা মৌজা নিয়ে এই পি এইচ ই তৌরীহবে , এলাকার মানুষ পানিয় জলের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন বলে জানান তৃণমূল নেতারা সেই সঙ্গে এই পুলদুলচের বাঁধকে আর আই ডি এফ প্রকল্পের মাধ্যমে পাকা পথ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেন সভায় উপস্থিত তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু বাস্তব জীবনে উল্টো কথা বলে হতশ্রী অবস্থা রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে রয়েছে কাট মানির চর্চা।
এই সংঘ পায় তিন লাখ টাকা, জগৎ ছাড়া অপেক্ষা গৃহ ও চুল্লি,নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছে অসম্পূর্ণ উদ্বোধন এর আগেই খারাপ ও ঠিক সংস্হা পলায়ন ও সামগ্রী হরিলুঠ, পি এইচ ই পানিয় জল জন্তনা চরমে পৌঁছেছে , একশো দিনের কাজের প্রকল্পে দুর্নীতি পাহাড় প্রমাণ, এলাকার পূর্বের গ্রামীন জল নিকাশি পরিকল্পিত ভাবে বন্ধ অবরুদ্ধ করে ডাঙ্গা পাড়া গ্রামে বৃষ্টির সময় জল জন্তনা অব্যাহত তর্ক বিতর্ক বিবাদ সৃষ্টি করেছে,পি এইচ ই র পাইপ লাইন নিম্ন মানের নিত্য নতুন সমস্যা বিবাদ সৃষ্টি হয়,আর আই ডি এফ প্রকল্পে রাস্তার কাজো নিম্ন মানের হচ্ছে এলাকায় এলাকায় ভোগান্তি চরমে উঠেছে বলে জানান অনেক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি। এলাকার কয়েক জন তৃণমূলের নেতা, জনপ্রতিনিধি তৃণমূলের নেতা সেজে বসে আছে ও লুটেপুটে খাচ্ছে আর তৃণমূলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে উচ্চ তৃণমূল নেতাদের কথায় ও কাজে মিল নাই বলে এলাকাবাসী জানায়।
এতো জালা ,জন্তনা, ভোগান্তির পরেও এলাকাবাসী দেবী দুর্গার পূজা অনুষ্ঠানে মেতে উঠেছে ।


