মালদা।
পুলিশ ছেলের কীর্তি। বৃদ্ধা মাকে খুন করল পুলিশ ছেলে ও বৌমা ।
শুধুমাত্র বৃদ্ধা অথর্ব মায়ের বোঝা মাথা থেকে নামাতে এই খুন বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের ।আর এই ঘটনা জানাজানি হতেই তুলকালাম কান্ড বেঁধে যায় গ্রামজুড়ে ।
পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে বৃদ্ধার ছেলে ও বৌমা কে মারধরের চেষ্টা করে গ্রামবাসী।
ঘটনাটি মালদার মানিকচকের মথুরাপুর পাঠানপাড়ার। মৃত বৃদ্ধার নাম হালিমা বেওয়া । অভিযোগ বৃদ্ধা হালিমার ছেলে মন্টু খান, বৌমা আক্তারি বিবি ও পৌত্র সেলিম খান মিলিতভাবে শ্বাসরোধ করে খুন করে বৃদ্ধাকে।
মৃত বৃদ্ধার ছেলে মন্টু খান ও পৌত্র সেলিম খান দুজনেই মালদা জেলা পুলিশে এন ভি এফ কর্মী হিসাবে কর্মরত।
আত্মহত্যার ঘটনা সাজাতে বৃদ্ধার গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বৃদ্ধাকে ।বৃদ্ধা মা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে প্রতিবেশীদের জানাই বৃদ্ধার ছেলে ও বৌমা ।
আর সেখানেই রহস্য দানা বাঁধে। প্রতিবেশীদের দাবি অথর্ব 82 বছরের বৃদ্ধা কিভাবে গলায় ফাঁস দিল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ শুধুমাত্র মাথা থেকে বৃদ্ধা মায়ের বোঝা নামাতেই পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে বাড়ির লোকজন।
তাদের অভিযোগ বৃদ্ধা মাকে নিয়ে অশান্তি লেগেই থাকত পরিবারে ।পুত্র ও পুত্রবধু প্রায়ই মারধর করতো বৃদ্ধাকে। প্রতিবেশীরা অভিযোগ করে বলেন কিছুদিন আগে বৃদ্ধাকে মেরে তার হাত ভেঙে দেয় পুত্রবধূ আক্তারি বিবি ।
খেতে তো দিতোই না বরং বিভিন্ন অজুহাতে চলতো প্রায়ই মারধর ।বৃদ্ধাকে খুন করেছে ছেলে ও বৌমা এই ঘটনা চাউর হতেই উপচে পড়ে মানুষের ভিড়। ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে গ্রামবাসী ।
অবস্থা বেগতিক দেখে নিজেদের ঘরের ভিতর আটক করে রাখে বৃদ্ধার ছেলে ও বৌমা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে মানিকচক থানার পুলিশ ।
পুলিশের কাছ থেকে ছেলে ও বৌমা কে ছিনিয়ে নিতে উদ্যত হয় বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী। তবে মানিকচক পুলিশের তৎপরতায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃদ্ধার ছেলে মন্টু খান বৌমা আক্তারি বিবি ও পৌত্র সেলিম খানকে আটক করেছে মানিকচক থানার পুলিশ।


