প্রতিবেদক , এবি বঙ্গনিউজ,
অনেক আগের কথা, তা প্রায় শতা ধিক বছর হবে | তৎকালীন চব্বিশ পরগনার চুটকীয়ার জমিদার বাড়ির নাম শোনেনি এমন লোক খুব কম আছে |
জনপ্রিয়তার দিক থেকে চুটকীয়া জমিদার বাড়ির বিকল্প খোঁজা ছিলো খুব মুশকিল একটা কাজ |
বি
দেশি ও দেশীয় শাসক যখন গোটা দেশ
এবং দেশের মানুষের জীবনকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে গেছিলো, ঠিক তখন চুটকীয়ার জমিদাররা মানবতা ও জনকল্যাণ এর প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখে ছিলো |
আসে পাশের প্রাচীন মানুষদের কাছ থেকে এমনিই তত্ত্ব পাওয়া গেলো এই জমিদার দের সম্পর্কে |
বর্তমান এই পরিবারের সদস্য দের বর্ণনা থেকে একটা কথা পরিস্কার যে এনাদের পূর্ব পুরুষেরা বাহান্ন হাজার বিঘা জমির মালিক ছিলো |
তৎকালীন সরকারি হিসাব অনুযায়ী চুটকীয়া জমিদাররা ছিল সুন্দরবন অঞ্চলের সর্ববৃহৎ জমিদার |
পিতা ভুলু জমিদার এবং তার তিন সন্তান আলহাজ্ব মফিজউদ্দিন জমিদার, আলহাজ্ব আমজাদ আলী জমিদার এবং আলহাজ্ব তৌসেল আলী জমাদানের সময় জমিদারিত্ব এক বিশাল আকার ধারণ করেছিল যা প্রায় 1950 সাল পর্যন্ত বজায় ছিল |
চুটকিয়া জমিদাররা, জনসাধারণের জন্য স্কুল, নামাজ পড়ার জন্য অনেক গুলি মসজিদ এবং নাড়াবুনিয়া বাজার সহ আরো বেশ কিছু ছোট বড় বাজার স্থাপন করেন |
অসহায় দুস্থ গরিবদের প্রতি তাদের অবদানের ইতিহাস আজও স্থানীয় বয়স্ক মানুষদের মধ্যে ছড়িয়ে আছে |
দিনদিন সভ্যতার আড়ালে চাপা পড়ছে এই জমিদার দের মহান কৃতিত্ব এবং ইতিহাস |

