রায়দিঘী:
ক্ষমতায় এলে ঐতিহাসিক জটার দেউল সংলগ্ন এলাকাকে ট্যুরিস্ট স্পট হিসাবে গড়ে তোলা হবে।
বদলে যাবে রায়দিঘীর আর্থ সামাজিক চেহারা। তৃণমূল সরকার ঐতিহাসিক স্থানটিকে গুরুত্ব না দিয়ে খুবই খারাপ সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে বিজেপির গান্ধী সংকল্প যাত্রা শুরুর সময় এমনই ঘোষণা দিলেন বলে বিজেপির দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাস।
কেন এই ঘোষণা তা জানতে বুঝতে হবে জটার দেউলের ঐতিহাসিক তাৎপর্য।
পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণার গহীন সুন্দরবনের অভ্যন্তরে কঙ্কনদিঘির পূর্বে, প্লট নম্বর ১১৬, মনি নদীর মোহনার সন্নিকটে দন্ডায়মান একটি অসাধারণ সুউচ্চ স্তম্ভ।
অনেকে এটিকে যশোরের প্রতাপাদিত্যের বিজয়স্তম্ভ বলে ধারণা করেন। কখনও একটি বৌদ্ধ প্যাগোডা, কখনও বা হিন্দুমন্দির, এমনকি তীর্থমন্দির, নানাভাবে এটিকে শনাক্ত করা হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের কাছে এটি শিবমন্দির বলেই পরিচিত। এই জটার দেউল রায়দিঘীর গর্ব। বেশ কয়েকবছর ধরে জটার দেউল সংলগ্ন রাস্তা খারাপ হওয়ায়।
ইদানিং ঐতিহাসিক স্থানটিতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত দুর্গম হয়ে পড়ছিল।
ক্রমশ ক্ষোভ বাড়ছিল জণগণের মধ্যে।
এহেন জটার দেউলে পূজা দিয়ে গান্ধী সংকল্প যাত্রা শুরু করা। এবং তারপর এই ঘোষণা নিসন্দেহে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে এগিয়ে রাখবে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত।
উল্লেখ্য জটার দেউল থেকেই বিজেপির এই কর্মসূচির সূচনা হবে শুনে। মন্দির সংলগ্ন স্থানে ভিড় জমান হাজার হাজার বিজেপি সমর্থক।
জটার দেউলে পূজা দেওয়ার মিছিল করে দীর্ঘ ২০ কিমি পথ অতিক্রম করে কৃষ্ণচন্দ্রপুর বাজারে এসে শেষ হয় এই মিছিল।
তবে ঘটনা যাই হোক বিজেপির এই মাস্টারস্ট্রোকে কুপোকাত রায়দিঘী তৃণমূল নেতৃত্ব।
