দক্ষিণ দিনাজপুর,৩০ শে অক্টোবর;
পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল গঙ্গারামপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অমলেন্দু ভূষণ সরকার এর ছেলে কুণাল সরকারের।
ঘটনাটি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার শিববাড়ি শ্মশান সংলগ্ন এলাকায়।
প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যায় হাটতে বেরিয়ে ছিল কুণাল,উল্টো দিক থেকে মোটর বাইক এর ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় সে।
স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি দেখার পর তড়িঘড়ি গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে, অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে পরে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
অন্য দিকে ৩ জন বাইক আরোহীদের গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কুণাল বাবুর মৃত্যুতে
ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে শহর জুড়ে।
জানা গিয়েছে গঙ্গারামপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অমলেন্দু ভূষণ সরকার এর একমাত্র ছেলে কুণাল সরকার (৩৫)পেশায় গঙ্গারামপুর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক।
পরিবার সূত্রে খবর,
প্রতিদিনের মত মঙ্গলবার সন্ধ্যায়ও হাটতে বের হয়ে ছিল কুণাল।
হাটতে হাটতে গঙ্গারামপুর এর শিববাড়ি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎই উল্টো দিক থেকে আসা একটি বাইক কুণালকে ধাক্কা লাগিয়ে দেয়।বাইকের ধাক্কায় মাথায় আঘাত লাগে বলে অনুমান স্থানিওদের।
ঘটনাটি এলাকাবাসীদের নজরে আসলে তড়িঘড়ি থানায় ফোন করার পাশাপাশি গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কুণাল বাবুর পাশাপাশি বাইকে থাকা দুইজন যুবক ও এক মহিলাকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।কুণাল বাবুর অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় হওয়ায় তড়িঘড়ি তাকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানাতরীত করা হয়।পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কুণাল বাবুর মৃত্যুর ঘটনা জানতেই বুধবার সকাল রাজ্যের মুখ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন অমল বাবু সহ তার পরিবারকে সমবেদনা জানান। মুখ্য মন্ত্রীর পাশাপাশি এদিন সকাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তি চেয়ারম্যান অমলেন্দু ভূষণ সরকার এর পাশাপাশি তার পরিবারকেও সমবেদনা জানিয়েছেন।
কুণাল বাবুর মৃত্যুতে শহর জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এবিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদা জানিয়েছেন,কুণালের মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত।
এবিষয়ে বিধায়ক গৌতম দাস জানিয়েছেন,আমরা ভাবতে পারিনি এত ভালো একটা ছেলে কুণাল আমাদের ছেড়ে চলে যাবে।
এবিষয়ে এক এলাকাবাসী জানিয়েছেন,কুণাল আমাদের বাড়ির ছেলের মত ছিল ,কুণালের মৃত্যু সত্যি বেদনা দায়ক।

