২২ অক্টোবর-মাস তিনেক আগে স্ত্রী ছেলেদের নিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে যান বাবার বাড়ি। তারপর আর আসেন নি শ্বশুরবাড়িতে।
স্ত্রীকে ফেরাতে গিয়ে লাঞ্ছিত হতে হয় স্বামীকে।
শুধু তাই নয়, ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। অপমান সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস জড়িয়ে আত্মঘাতী স্বামী।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত স্বামীর নাম সুশান্ত দাস(২২)। সংশ্লিষ্ট থানার লক্ষ্মণপুরে বাড়ি তাঁর।
তিনি দাদনে ভিনরাজ্যে মজুরের কাজ করেন। দিল্লিতে মজুরের কাজ করে দুর্গাপুজোর আগে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন তিনি।
স্ত্রী মাম্পি দাস ও ২ ছেলে-মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার। এদিকে বাড়িতে ফিরে এসে স্ত্রী, ছেলেমেয়েদের কাউকে দেখতে পান না তিনি।
পরিবারের মুখে শোনা যায় মাস তিনেক আগে স্ত্রী কাউকে কিছু না জানিয়ে বাবার বাড়ি চাঁচল থানার ফাঁকাটোলায় চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, গত রবিবার সুশান্ত স্ত্রী, ছেলেদের ফেরাতে শ্বশুরবাড়ি যান। সেখানে তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
সোমবার সন্ধে নাগাদ তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। গাটা শরীরে তাঁর চোট। রাত ৮টা নাগাদ নিজের ঘরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখেন পরিবারের লোকেরা। গলায় তাঁর শাড়ি জড়ানো।
মৃতের কাকা বেলাল দাস অভিযোগ করে বলেন,‘বিয়ের পর বউমা আমাদের বাড়িতে বেশিদিন থাকত না। বেশির ভাগ দিনই বাবার বাড়িতে থাকত। মাস তিনেক আগে কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে যায়। তারপর আর ফেরে নি।
ভাইপো রবিবার ফিরিয়ে আনতে গেলে তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে জানতে পেরেছি।
পরে গোটা শরীরে চোট লক্ষ্য করেছি। শ্বশুরবাড়ির অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে সে।’

